পরিচালনা পর্ষদ

শামেরান আবেদ চেয়ারম্যান

শামেরান আবেদ ব্র্যাক-বাংলাদেশ এর ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রোগ্রাম, যা ক্ষুদ্র অর্থায়ন শিল্পে বাংলাদেশের ৩ বিলিয়ন ডলারেও বেশী অর্থের ঋণ গ্রহীতার একটি বড় অংশের জন্য জবাবদিহি করে, এর ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা পর্ষদের একজন। মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের একটি অংশ পরিচালনা করার পাশাপাশি তিনি দ্রব্যের উন্নয়ন ও প্রচার বিষয়েও কাজ করছেন। ব্র্যাক এ যোগদানের পূর্বে, শামেরান একটি স্বনামধন্য ইংরেজি দৈনিকে সম্পাদকীয় লেখক হিসেবে কাজ করেছেন, তিনি বিশেষত রাজনীতি বিষয়ে লিখতেন।  তিনি নিউইয়র্ক এর হেমিলটন কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন এবং আইনজীবী হিসেবে যোগ্য বিবেচিত হয়ে ২০০৬ সালে “অনারেবল সোসাইটি অব লিঙ্কন’স ইন” থেকে “বার অব ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস” এ যাবার আমন্ত্রন পান। 

রায়ান গিলবার্ট পরিচালক

রায়ান গিলবার্ট বেটার ফাইন্যান্স-এর সিইও এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তিনি খুচরা বিক্রেতা এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে  আর্থিক সলিউশন প্রদান করেন।

ভিসি ফার্ম ভেনরক, রিয়েল এস্টেট পেমেন্ট কোম্পানি, প্রোপার্টি ব্রিজ (মানিগ্রাম কর্তৃক  অধিগ্রহণকৃত), ওয়েলস্ ফারগো ব্যাংক এবং অ্যানডারসন কনসালটিং প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনাকারী হিসেবে পেমেন্ট ও স্টার্ট-আপ-এর উপর তার রয়েছে দীর্ঘ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা। 

তিনি রিভার সিটি ব্যাংক-এর একজন ডিরেক্টর এবং ইভেন্টব্রাইট ও স্কয়ার-সহ বিভিন্ন পেমেন্ট কোম্পানির একজন বিনিয়োগকারী।

স্টেট বার অফ ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াইপিও-এর তিনি একজন সদস্য। জোহান্সবার্গ উইটওয়াটারসর‍্যান্ড  বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বি.কম এবং এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।  

অ্যান্ডি দেরভিশি পরিচালক

অ্যান্ডি দেরভিশি ইন্টারন্যাশনাল ফাইন্যান্স কর্পোরেশন (আইএফসি)-এর ফিনটেক ইনভেস্টমেন্ট-এর নেতৃত্বে আছেন। একজন নিবেদিতপ্রাণ উদ্যোক্তা হিসেবে কোম্পানিকে দীর্ঘস্থায়ী করতে তিনি ম্যানেজমেন্টকে সহায়তা দিতে ভালোবাসেন। তিনি নিজের স্থানীয় এলাকা আলবানিয়াতে রিয়েল এস্টেট, ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, রিটেইল, ম্যানুফ্যাকচারিং এবং কন্সট্রাকশন সেক্টর-এ বিনিয়োগ শুরু করেন। আইএফসি-তে থাকাকালীন তিনি বিশ্বব্যাপী ২০টির বেশি দেশের আইটি সার্ভিস কোম্পানিতে বিনিয়োগ করেছেন। গত ছয় বছর অ্যান্ডি ও তার টিম বিশেষভাবে নিবেদিত চিত্তে ফিনটেক-এর জন্য কাজ করেছেন। চীন, ভিয়েতনাম, ভারত, দক্ষিণ আফ্রিকা, নাইজেরিয়া, মিশর, মেক্সিকো, আর্জেন্টিনা, কলম্বিয়া, যুক্তরাজ্য, যুক্তরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন উন্নয়নশীল মার্কেটে পুঁজি দিয়ে একটি বৃহৎ ফিনটেক পোর্টফোলিও তারা আইএফসি’র জন্য তৈরি করেছে।অ্যান্ডির অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে আগ্রহ সবসময়ই আছে। ভবিষ্যতের আর্থিক অবকাঠামো, রিটেইল ব্যাংকিং এবং লেনদেনের ক্ষেত্রে তার দুরদর্শীতা তার কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। তিনি তিরানা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজী বিষয়ে বিএস 'সুমা কাম লাউডে' এবং যুক্তরাষ্ট্রের এমোরি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন।  

নিকোলাস হিউজ পরিচালক

নিকোলাস হিউজ, ২০০৯ সালে ক্রমবর্ধমান বাজারে মোবাইল ব্যবসার সুযোগের প্রতি নজর দেয়ার উদ্দেশ্যে গঠিত “সিংগেল পয়েন্ট পার্টনারস” এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এর আগে হিউজ ভোডাফোনের মোবাইল পেমেন্টসের প্রধান ছিলেন, ওই সময়েই তিনি কেনিয়াতে এম-পেসা সেবা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৭ সালে এম-পেসার প্রবর্তনের পর এটি ১৩ মিলিয়নেরও বেশী গ্রাহকের নজর কেড়েছে।

২০১০ সালে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের জন্য তিনি “ইকোনমিক ইনোভেশন” খেতাব অর্জন করেন। তিনি অ্যাপ্লাইড সাইন্স এ পিএইচডি (১৯৯২) এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে কৃতিত্তের সাথে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন (২০০১)। 

অরুন গোর পরিচালক

অরুণ গোর গ্রে গোস্ট  ম্যানেজম্যান্ট এন্ড অপারেশনস নামক একটি মানেজমেন্ট কোম্পানির  গ্রে গোস্ট ভেনচারস এর প্রেসিডেন্ট এবং সি ই ও  হিসেবে পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা এবং দৈনন্দিন কার্যকলাপ এর দায়িত্বে রয়েছেন । এর সাথে তিনি আরও কয়েকটি পোর্টফলিও কোম্পানির বোর্ড সদস্য হিসেবে কর্মরত আছেন । তিনি  ব্যবসার প্রারম্ভিক অবস্থায়  বিনিয়োগের  ক্ষেত্রে  বাজার,  ঝুঁকি এবং সুযোগ সম্পর্কে ভালো ধারণা রাখেন। অরুণ গোরের এই অভিজ্ঞতা  বিকাশকে  আরো বাস্তব সম্মতভাবে ব্যবসা পরিচালনা করতে সাহায্য করবে।

টেলিকমিউনিকেশন,  ইন্টারন্যাশনাল সাপ্লাই চেইন এবং ফিনান্সিয়াল কনসালটিং  এ কাজ করার ব্যপক অভিজ্ঞতা রয়েছে অরুণ এর । তিনি তাঁর ৩৫ বছরের কর্মজীবনে যুক্তরাষ্ট্র,এশিয়া,আফ্রিকা এবং মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন কোম্পানিতে গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন ছিলেন। তিনি  কুক ইনলেট টি-মোবাইলের চিফ ফিনান্সিয়াল অফিসার হিসেবে টি-মোবাইল ইউএসএ'র নির্বাহী পর্ষদের সদস্য  ছিলেন এবং   বিভিন্ন পোর্টফোলিও কোম্পানির উদ্যোক্তাদের সাথে  আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ অবলিখনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।  টি – মোবাইলের জ্যেষ্ঠ ব্যবস্থাপনা পর্ষদের  সদস্য  হিসেবে তিনি বাজার এবং বিক্রয় সংক্রান্ত কার্যাদি , যৌথ উদ্যোগ ব্যবস্থাপনা, সমবায় ও অর্জন এবং তহবিল গঠনের  কাজে নিয়োজিত ছিলেন। অরুন মালিক এবং ব্যবস্থাপক হিসেবে এস এ আই নামক ১৩ টি দেশে কার্যক্রম রয়েছে এমন একটি অয়েল ফিল্ড এবং এনার্জি সাপ্লাই বিষয়ক আন্তর্জাতিক সাপ্লাই কোম্পানিতে এবং এটেক্স অয়েল কোম্পানি  একটি পাইকারি ও খুচরা তেল শোধন এবং বিতরণ প্রতিষ্ঠানে ফিন্যান্স, ইনভেনটরি, সম্পদ সুরক্ষা ও বহর ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব পালনের মাধ্যমে উদ্যোক্তা হিসেবে তার অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করেছেন।

২০০৬ সাল থেকে অরুন  সক্রিয়ভাবে গ্রে গোস্ট এর  বিনিয়োগের সুদৃঢ় খাত  প্রসারে সক্রিয়ভাবে জড়িত রয়েছেন। ২০০৮ সালে তিনি আটলান্টায় চলে যান এবং গ্রে গোস্ট এর  বিনিয়োগ খাতের তহবিল ব্যবস্থাপনা এবং পরবর্তীতে   পুরো গ্রে গোস্ট কার্যক্রম পরিচালনার দায়িত্ব বুঝে নেন। । তিনি ভারত থেকে  বিজ্ঞানে এবং একাউন্টিং এ  স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে স্নাতকোত্তর ডিগ্রী অর্জন করেন এবং ফিন্যান্সে এম বি এ করেন ।

ইকবাল কাদির পরিচালক

ইকবাল জেড কাদির, ম্যাসাচুসেটস ইন্সটিটিউট অব টেকনোলজি (এম আই টি) তে লিগেটাম সেন্টার ফর ডেভলপমেন্ট অ্যান্ড অন্ট্রপ্রেনিওরসিপ এর প্রতিষ্ঠাতা এবং পরিচালক।

জনাব কাদির কে নিম্ন আয়ের দেশগুলোতে মোবাইল ফোনের সম্ভাবনাসমুহ বিস্তারের ক্ষেত্রে প্রথম দিকের পর্যবেক্ষক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। তার কাজ ইতোমধ্যে উল্লেখযোগ্য পরিমাণে দারিদ্র্য বিমোচনের প্রথম ও সফল উদ্যোগ হিসেবে বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সংস্থা এবং নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের কাছে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

কাদির ১৯৯০ দশকের অধিকাংশ সময়ই ব্যয় করেছেন গ্রামীণফোন লিমিটেড প্রতিষ্ঠার পেছনে, যা বর্তমানে বাংলাদেশের বৃহত্তম টেলিকমিউনিকেশন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ১৯৯৪ সালে তিনি “এঞ্জেল ইনভেস্টর” কে নিউইয়র্ক ভিত্তিক কোম্পানি “গণফোন ডেভলপমেন্ট কর্প” (সবার জন্য ফোন) প্রতিষ্ঠার জন্য রাজী করানোর মাধ্যমে তার গ্রামীণফোন প্রচেষ্টার আনুষ্ঠানিক প্রবর্তন করেন। সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অবস্থিত ওয়ার্ল্ড ইকনোমিক ফোরাম তাকে “গ্লোবাল লিডার ফর টুমরো” হিসেবে নির্বাচিত করেছে।

এর আগে তিনি নিউইয়র্কে অবস্থিত সিকিউরিটি প্যাসিফিক মার্চেন্ট ব্যাংক এর একটি সহযোগী প্রতিষ্ঠান ট্রিয়াম ক্যাপিটাল কর্পোরেশন এর ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং  ওয়াশিংটন ডিসিতে বিশ্বব্যাংকের কন্সালটেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। তিনি হোয়ারটন স্কুল, পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমবিএ ও এমএ এবং সোয়ার্থমোর কলেজ থেকে বিএস (সম্মান) ডিগ্রি লাভ করেন।

নিহাদ কবির পরিচালক

নিহাদ কবির ২০১৩ সালে বিকাশ-এর পরিচালনা পর্ষদে যোগ দেন। তিনি সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদ অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েটসের সিনিয়র পার্টনার। তিনি কেদারপুর টি কোম্পানি লিমিটেড, সাতগাঁও টি স্টেট ও শায়েস্তগঞ্জ সিএনজি কোম্পানি লিমিটেডের পরিচালক।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী নিহাদ কবির। একই সঙ্গে তিনি আইন ও সালিশ কেন্দ্রের কোষাধ্যক্ষ। তিনি সেন্টার ফল পলিসি ডায়লগের (সিপিডি) আইন পরামর্শক এবং মেট্রো পলিটন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির কমিটি সদস্য ও কমার্শিয়াল লেজিসলেশন সাব-কমিটির চেয়ার। তিনি এশিয়ান রাউন্ডটেবল অন করপোরেট গভর্ন্যান্সেরও সদস্য। তিনি কোম্পানি আইন সংস্কার কমিটির সদস্য। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সরকারের ডব্লিউটিও ওয়ার্কিং গ্রুপে তিনি কাজ করেছেন। তিনি সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের প্রথম লিগ্যাল কাউন্সেল ছিলেন। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের কাউন্সেল হিসেবেও কাজ করেছেন। বর্তমানে তিনি জাতীয় শিক্ষানীতি কমিটির সদস্য। আইন পেশায় তাঁর রয়েছে ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা সম্পন্ন করেন নিহাদ কবির।

নিহাদ কবির ইংল্যান্ডের গ্রেইস ইন বার উপাধী পান। তিনি ইংল্যান্ডের ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে আইন বিষয়ে স্নাতক সম্মান ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রী লাভ করেন।

কাজী মাহমুদ সাত্তার পরিচালক

কাজী মাহমুদ সাত্তার অক্টোবর ২০১৫ তে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড বোর্ডের ইন্ডিপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

৩২ বছরের সফল ক্যারিয়ারে তিনি বিভিন্ন দেশী ও বিদেশী ব্যাংকে দায়িত্ব পালন করেছেন। কাজী মাহমুদ সাত্তার দ্যা সিটি ব্যাংক লিমিটেড এবং ইস্টার্ন ব্যাংক লিমিটেড এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর এবং সিইও হিসেবে বিগত ১৩ বছর ধরে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি আরএসএ এডভাইসরি লিঃ(একটি অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানি এবং আরএসএ ক্যাপিটাল নামক ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান) এর চেয়ারম্যান অফ দ্যা বোর্ড হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ১৯৮১ সালে তিনি এএনজেড গ্রিন্ডলেইজ ব্যাংক-এ ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনী হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তিনি মুম্বাই-ইন্ডিয়া, এবং মেলবোর্ন-অস্ট্রেলিয়াতে এএনজেড গ্রিন্ডলেইজ ব্যাংক-এ কাজ করেছেন।

জনাব সাত্তার ১৯৮১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ব্যাচেলর ইন বিজনেস অনুষদের ফাইন্যান্স মেজর নিয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন । তিনি এসোসিয়েশন অফ ব্যাংকার’স বাংলাদেশ, দ্যা সুইফট ইউজার গ্রুপ অফ বাংলাদেশ, বোর্ড অফ সিটি ব্রোকারেজ লিমিটেড এবং সিটি ব্যাংক ক্যাপিটাল রিসোর্স লিমিটেড এর চেয়ারম্যান ছিলেন ।

২০১০ সালে তিনি এশিয়ান ব্যাংকার এর ‘বেস্ট লিডারশিপ এ্যাওয়ার্ড’ লাভ করেন।

 

সেলিম আর. এফ. হোসেন পরিচালক

জনাব সেলিম আর. এফ. হোসেন ৮ নভেম্বর, ২০১৫ তে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জনাব হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাংকিং খাতে কাজ করছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাত্র ছয় বছরে আইডিএলসি ফাইন্যান্স-এর লড়্গ্যণীয় ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির প্রধান কারিগরের ভূমিকা পালনের জন্য ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আইডিএলসির দুটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং-এ স্নাতক ডিগ্রি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ (মেজর ইন ফাইন্যান্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১০ সালে আইডিএলসি-তে যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশের দুটি বৃহত্তম বহুজাতিক ব্যাংক এএনজেড গ্রিন্ডলেইজ ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ২৪ বছর বিভিন্ন গুরম্নত্বপূর্ণ দায়িত্ব পদে পালন করেন।


তিনি তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় ভারত ও অস্ট্রেলিয়ায় পেশাগত দায়িত্ব পালন ও বসবাস করেন। আইডিএলসিতে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি ভারতের মুম্বাইয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কনজ্যুমার ব্যাংকিং বিভাগের ফাইন্যান্স ও স্ট্র্যাটেজির প্রধান ছিলেন। তিনি বাংলাদেশে ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের চীফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশের (সিআরএবি) পরিচালক ছিলেন। তিনি ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলএফসিএ) ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।