পরিচালনা পর্ষদ

জনাব শামেরান আবেদ
চেয়ারম্যান
জনাব শামেরান আবেদ চেয়ারম্যান

শামেরান আবেদ বিকাশ লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান। তিনি ব্র্যাক-বাংলাদেশ এর ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রোগ্রাম, যা ক্ষুদ্র অর্থায়ন শিল্পে বাংলাদেশের ৩ বিলিয়ন ডলারেও বেশী অর্থের ঋণ গ্রহীতার একটি বড় অংশের জন্য জবাবদিহি করে, এর ঊর্ধ্বতন ব্যবস্থাপনা পর্ষদের একজন। মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রমের একটি অংশ পরিচালনা করার পাশাপাশি তিনি দ্রব্যের উন্নয়ন ও প্রচার বিষয়েও কাজ করছেন। ব্র্যাক এ যোগদানের পূর্বে, শামেরান একটি স্বনামধন্য ইংরেজি দৈনিকে সম্পাদকীয় লেখক হিসেবে কাজ করেছেন, তিনি বিশেষত রাজনীতি বিষয়ে লিখতেন। তিনি নিউইয়র্ক এর হেমিলটন কলেজ থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন এবং আইন বিষয়ে  ২০০৬ সালে “অনারেবল সোসাইটি অব লিঙ্কন’স ইন” থেকে “বার অব ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলস” এ ডিগ্রি অর্জন করেন।

জনাব রায়ান গিলবার্ট
পরিচালক
জনাব রায়ান গিলবার্ট পরিচালক

রায়ান গিলবার্ট ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এর মনোনীত বিকাশ লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের একজন পরিচালক। তিনি বেটার ফাইন্যান্স-এর সিইও এবং সহ-প্রতিষ্ঠাতা। তিনি খুচরা বিক্রেতা এবং বিভিন্ন আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সাথে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানকে আর্থিক সলিউশন প্রদান করেন।

ভিসি ফার্ম ভেনরক, রিয়েল এস্টেট পেমেন্ট কোম্পানি, প্রোপার্টি ব্রিজ (মানিগ্রাম কর্তৃক  অধিগ্রহণকৃত), ওয়েলস্ ফারগো ব্যাংক এবং অ্যানডারসন কনসালটিং প্রতিষ্ঠানে নির্বাহী কর্মকর্তা এবং উন্নয়ন পরিকল্পনাকারী হিসেবে পেমেন্ট ও স্টার্ট-আপ-এর উপর তার রয়েছে দীর্ঘ ২০ বছরের অভিজ্ঞতা।

তিনি রিভার সিটি ব্যাংক-এর একজন ডিরেক্টর এবং ইভেন্টব্রাইট ও স্কয়ার-সহ বিভিন্ন পেমেন্ট কোম্পানির একজন বিনিয়োগকারী।

স্টেট বার অফ ক্যালিফোর্নিয়া ও ওয়াইপিও-এর তিনি একজন সদস্য। জোহান্সবার্গ উইটওয়াটারসর্যান্ড  বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি বি.কম এবং এলএলবি ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন।

জনাব সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন
পরিচালক
জনাব সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন পরিচালক

জনাব সেলিম রেজা ফরহাদ হোসেন ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড এর মনোনীত বিকাশ লিমিটেড এর পরিচালনা পর্ষদের একজন পরিচালক। তিনি ৮ নভেম্বর, ২০১৫ তে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটড-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।

জনাব হোসেন দীর্ঘদিন যাবৎ ব্যাংকিং খাতে কাজ করছেন। ব্র্যাক ব্যাংকে যোগদানের পূর্বে তিনি আইডিএলসি ফাইন্যান্স লিমিটেডের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। মাত্র ছয় বছরে আইডিএলসি ফাইন্যান্স-এর ব্যবসায়িক প্রবৃদ্ধির প্রধান কারিগরের ভূমিকা পালনের জন্য ব্যাংকিং ইন্ডাস্ট্রিতে তিনি প্রশংসিত হয়েছেন। এছাড়া তিনি ২০১০ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত আইডিএলসির দুটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান আইডিএলসি ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং আইডিএলসি সিকিউরিটিজ লিমিটেডের পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যানও ছিলেন।

তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অ্যাকাউন্টিং-এ স্নাতক ডিগ্রি এবং একই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউট অব বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (আইবিএ) থেকে এমবিএ (মেজর ইন ফাইন্যান্স) ডিগ্রি অর্জন করেন। ২০১০ সালে আইডিএলসি-তে যোগদানের পূর্বে তিনি বাংলাদেশের দুটি বৃহত্তম বহুজাতিক ব্যাংক এএনজেড গ্রিন্ডলেইজ ব্যাংক এবং স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকে ২৪ বছর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেন।

তিনি তাঁর দীর্ঘ কর্মজীবনের একটি উল্লেখযোগ্য সময় ভারত ও অস্ট্রেলিয়ায় পেশাগত দায়িত্ব পালন ও বসবাস করেন। আইডিএলসিতে দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে তিনি ভারতের মুম্বাইয়ে স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের কনজ্যুমার ব্যাংকিং বিভাগের ফাইন্যান্স ও স্ট্র্যাটেজির প্রধান ছিলেন। তিনি বাংলাদেশে ২০০২ থেকে ২০০৭ সাল পর্যন্ত স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের চীফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার (সিএফও) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি ক্রেডিট রেটিং এজেন্সি অব বাংলাদেশের (সিআরএবি) পরিচালক ছিলেন। তিনি ২০১২ সাল থেকে বাংলাদেশ লিজিং অ্যান্ড ফাইন্যান্স কোম্পানিজ অ্যাসোসিয়েশনের (বিএলএফসিএ) ভাইস চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন করছেন।

জনাব মেহেরিয়ার এম হাসান
পরিচালক
জনাব মেহেরিয়ার এম হাসান পরিচালক

জনাব মেহেরিয়ার এম হাসান একজন বৈশ্বিক চিন্তাবিদ, উদ্ভাবক এবং ডিজিটাল ব্যাংকিং-এর জগতে একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যক্তিত্ব। তার রয়েছে বিশ্বের বৃহৎ কিছু আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নতুন মুনাফার উৎস তৈরির  ক্ষেত্রে ডিরেক্ট /ডিজিটাল ডিস্ট্রিবিউশন চ্যানেল নির্মাণ এবং  যুগান্তকারী উদ্ভাবনের ৩৫ বছরের অধিক সময়ের অভিজ্ঞতা, পরিকল্পিত চিন্তাভাবনা ও মাল্টি চ্যানেল সেলস/সার্ভিস প্রসেস ও প্ল্যাটফর্ম তৈরির মাধ্যমে ব্যবসায়িক সমৃদ্ধি অর্জনে ব্যবসাগুলিকে সক্ষম করার ক্ষেত্রে তার অতুলনীয় রেকর্ড রয়েছে । 

উল্লেখযোগ্যভাবে, জনাব হাসান প্রতিষ্ঠা করেছেন টেরাফিনা ইনকর্পোরেশন - যা আর্থিক সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ডিজিটাল অমনিচ্যানেল সেলস সল্যুশন হিসাবে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে । তিনি ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত ম্যাকিনসি এর সিনিয়র উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করেছেন এবং ২০০৬ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে মার্শাল স্কুল অফ বিজনেসের অতিথি প্রভাষক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছেন। জনাব হাসান অ্যারিজোনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে গণিতে মাইনর সহ অর্থনীতিতে স্নাতক এবং অর্থনীতিতে ও ফাইন্যান্সে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

জনাব হাসানের বিশেষ কিছু অর্জন ও অবদান - 

প্রতিষ্ঠানিক লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য নির্ধারণ করার সাথে সাথে টেরাফিনা গড়ে তুলতে নেতৃত্ব দিয়েছেন যা সেলেন্ট দ্বারা মনোনীত শীর্ষ-দুই ফিনটেক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্থান করে নিয়েছিল । এনসিআর কর্পোরেশন ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে টেরাফিনা প্রতিষ্ঠানটিকে অধিগ্রহণ করে।

মার্কিন ব্যাংকে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ের প্রধান হিসেবে তিনি রেকর্ড সময়ের মধ্যে দেশের অন্যতম বৃহত্তম ডিজিটাল ব্যাংকিং চ্যানেল তৈরিতে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন, যা এখন লক্ষ লক্ষ ডলার মুনাফা অর্জন করছে। ডিজিটাল চ্যানেলটি কিনোট নামক একটি থার্ড পার্টি বেঞ্চমার্ক অনুযায়ী সামগ্রিক গ্রাহক অভিজ্ঞতায় প্রথম স্থান অর্জন করেছে। 

ওয়েলস ফার্গোর নির্বাহী ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসাবে, তিনি আর্থিক সেবা শিল্পে সর্ববৃহৎ ডিরেক্ট-টু-কাস্টমার/ডিজিটাল লেনডিং চ্যানেলগুলোর মধ্যে অন্যতম একটি তৈরি করেছিলেন, যার ফলে ১০০% আয় বৃদ্ধি, ১১৮% নিট আয় বৃদ্ধি এবং  তিন বছরের মধ্যে ১০৪% পোর্টফোলিও ব্যালেন্স বৃদ্ধি পেয়েছে। 

ওয়েলস ফার্গোতে তিনি কল সেন্টার এবং ব্রাঞ্চকে একীভূত করে আর্থিক সেবা শিল্পের বৃহত্তম ডিজিটাল সেলস চ্যানেল নির্মান করেছেন - যার ফলে দুই বছরের মধ্যে কোর ব্যাংকিং এবং বিনিয়োগ সেবার ১৯০% প্রবৃদ্ধি হয়েছিল।

তিনি ডিজিটাল ইনসাইটের বিটুবি ও বিটুসি পণ্যের নকশা, প্রকৌশল এবং ব্যবস্থাপনার জন্য দায়িত্বপ্রাপ্ত ছিলেন। ডিজিটাল ইনসাইট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বৃহত্তম অনলাইন ব্যাংকিং অ্যাপ্লিকেশন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান যা  ক্রেডিট ইউনিয়ন এবং ছোট/মাঝারি আকারের ব্যাংককে সেবা দিয়ে আসছে। 

ট্রান্সআমেরিকা তে তিনি বীমা শিল্পে প্রথম প্রাইভেট লেবেলযুক্ত ডিরেক্ট-টু-কাস্টমার চ্যানেল প্রতিষ্ঠা করেন যা স্বাধীন এজেন্সি এবং ব্যবসার ব্যাক-অফিসের কার্যক্রমকে একীভূত করেছে। 

 

জনাব হাসান তার দীর্ঘ এবং উজ্জ্বল কর্মজীবনে ব্র্যাক ব্যাংকের বোর্ডে তার বর্তমান সদস্যপদ সহ, ২০১৫ সাল থেকে টয়োটা ফাইন্যান্সিয়াল সেভিংস ব্যাংক এবং ২০১৩ সাল থেকে মেকানিক্স ব্যাংকের মতো স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠানের বোর্ড সদস্যপদ হিসাবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

জনাব আসিফ সালেহ
পরিচালক
জনাব আসিফ সালেহ পরিচালক

মি. আসিফ সালেহ ব্র্যাক ব্যাংক দ্বারা মনোনীত বিকাশ লিমিটেড-এর একজন ডিরেক্টর। তিনি ব্র্যাক বাংলাদেশের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। সরকারি, বেসরকারি এবং নন গভর্নমেন্ট সেক্টরে সিনিয়র নেতৃত্বের ভূমিকায় তিনি এক বৈচিত্র্যময় অভিজ্ঞতা নিয়ে এসেছেন। ব্র্যাক এবং ব্র্যাক-এর বাইরে কার্যকর অংশীদারিত্ব গড়ে তোলা এবং ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রামিং-এর ইন্টারফেস, অপারেশনাল এবং ফাইন্যান্সিয়াল সাস্টেইন্যাবিলিটি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনায় তার পারদর্শিতার পরিচয় দিতে পেরেছেন।

মি. সালেহ ব্র্যাকের কৌশলগত দিকনির্দেশনা পরিচালনায় বিশেষভাবে নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন। ২০১১ সালে যোগদানের পর থেকে তিনি সামাজিক পরিবর্তন, তথ্যপ্রযুক্তি, যোগাযোগ এবং সামাজিক উদ্ভাবনের জন্য যুগোপযোগী পরামর্শ প্রদানে পর্যায়ক্রমে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তিনি নগর দারিদ্র্য, যুবদক্ষতা উন্নয়ন, অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধি এবং অভিবাসনের ক্ষেত্রে উদীয়মান উন্নয়ন চ্যালেঞ্জের উপর ব্র্যাকের গুরুত্ব সহকারে পর্যবেক্ষণে অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছেন। এমপাওয়ারমেন্ট প্রোগ্রাম ক্লাস্টারের সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে, তিনি ব্র্যাকের নতুন প্রোগ্রামেটিক এরিয়া, যেমন, নগর উন্নয়ন কর্মসূচি, মানবাধিকার ও আইনি সহায়তা পরিষেবা, দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি এবং অভিবাসন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। ২০১৬ সালে ব্র্যাকের পাঁচ বছরের স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং-এ নেতৃত্ব দেন।

ব্র্যাকে যোগদানের আগে, মি. সালেহ প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় দ্বারা পরিচালিত এক্সেস টু ইনফরমেশন (এ২আই) প্রোগ্রামের পলিসি স্পেশালিস্ট হিসেবে কর্মরত ছিলেন। সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ উদ্যোগের অংশ হিসেবে, তিনি সারা বাংলাদেনশে সাশ্রয়ী মূল্যের ব্রডব্যান্ড সংযোগ সম্প্রসারণের নীতিমালা প্রয়োগে নেতৃত্ব দেন এবং সরকারের এম-গভর্নেন্স কৌশল প্রণয়নে ভূমিকা রাখেন। তিনি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টার টিমের একটি গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন যারা বাংলাদেশের প্রতিটি ইউনিয়নে ডিজিটাল সার্ভিস সেন্টার প্রতিষ্ঠা করেছিল। এর পরবর্তীতে, তিনি উন্নয়ন খাতে প্রযুক্তি এবং সাশ্র্যয়ী উদ্ভাবনে সক্রিয় ভূমিকা রেখে কাজ করেছেন। তিনি ১২ বছর ধরে গোল্ডম্যান শ্যাসে-এর নিউইয়র্ক এবং লন্ডনের ফিনটেকের বিভিন্ন ভূমিকায় এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল ক্লায়েন্ট সেলসে কর্মরত ছিলেন, সেখানকার কর্মজীবনে শেষ সময় পর্যন্ত তিনি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন। এছাড়াও তিনি গ্লাক্সো ওয়েলকাম, আইবিএম এবং নর্টেলেও কর্মরত ছিলেন।

মি. সালেহ দৃষ্টিপাত-এর প্রতিষ্ঠাতা, যা বিশ্বব্যাপী বাংলাদেশিদের মানবিক ও অর্থনৈতিক অধিকার প্রতিষ্ঠায় একটি স্বনামধন্য সংস্থা। তিনি ২০০৭ সালে বাংলাদেশি অ্যামেরিকান ফাউন্ডেশন, ২০০৮ সালে এশিয়া সোসাইটি’র এশিয়া ২১ প্রোগ্রাম দ্বারা তার কাজের জন্য স্বীকৃত হন এবং ২০১২ সালে এশিয়া ২১-এ ফেলো হিসেবে নির্বাচিত হন। ২০১৩ সালে তিনি ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম কর্তৃক একজন ইয়ং গ্লোবাল লিডার হিসেবে নির্বাচিত হন।

মি. সালেহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক নেটওয়ার্ক এবং অ্যালায়েন্সে একজন সক্রিয় সদস্য, যেখানে তিনি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের লক্ষ্যে ভূমিকা রাখেন। তিনি ওয়াশিংটন, ডি.সি.’র সেন্টার ফর গ্লোবাল ডেভেলপমেন্টের একজন নন-রেসিডেন্ট ফেলো। তিনি মিলিয়নস লার্নিং ইন্টারন্যাশনাল অ্যাডভাইজরি গ্রুপ, ব্রুকিংস ইনস্টিটিউটের একজন সদস্য, যা সর্বস্তরের শিশু এবং তরুণদের জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষার মাপকাঠি বিষয়ক সমস্যা সমাধান করে। এছাড়াও তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা-ভিত্তিক ইনোভেশন এজ-এর একজন সদস্য, যা আর্লি চাইল্ডহুড ডেভেলপমেন্টের একটি প্রচারক সংস্থা।

মি. সালেহ ব্র্যাক আইটি সার্ভিসেস লিমিটেডের চেয়ারম্যান, ব্র্যাক নেট-এর সহ-সভাপতি এবং ব্র্যাক ব্যাংক এবং ইডোটকো বাংলাদেশ লিমিটেড-এর বোর্ড সদস্য হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন। এছাড়াও তিনি ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেটিক্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এবং মায়া সহ একাধিক অলাভজনক সংস্থাতেও বোর্ড সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

মি. সালেহ নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটির স্টার্ন স্কুল অফ বিজনেস থেকে কম্পিউটার সায়েন্সে স্নাতক ডিগ্রি এবং ম্যানেজমেন্ট ও মার্কেটিং-এ এমবিএ সম্পন্ন করেছেন।

জনাবা ফাহিমা চৌধুরী
পরিচালক
জনাবা ফাহিমা চৌধুরী পরিচালক

মিসেস ফাহিমা চৌধুরী ২০১৮ সালের এপ্রিলে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের বোর্ডে একজন ইনডেপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হন। বর্তমানে, তিনি বোর্ড রিস্ক ম্যানেজমেন্ট কমিটি এবং বোর্ড অডিট কমিটির সদস্য হিসেবেও কর্মরত রয়েছেন।

২০১৮ সালের শেষ থেকে মিসেস চৌধুরী ব্র্যাক-ইপিএল ইনভেস্টমেন্টস লিমিটেড এবং ব্র্যাক-ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের বোর্ডে ব্র্যাক ব্যাংকের মনোনীত পরিচালক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন; এবং বর্তমানে তিনি উভয় কোম্পানির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ২০২১ সালের শেষে, তিনি ব্র্যাক ব্যাংক দ্বারা মনোনীত বিকাশ লিমিটেডের বোর্ডের ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হন।

একজন ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্ট এবং মার্কেটিং কনিউনিকেশন ও অ্যাডভার্টাইজিং স্পেশালিস্ট হিসেবে মিসেস চৌধুরী এর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে উদ্যোক্তা এবং নেতৃত্ব ভূমিকায় ২৫ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা রয়েছে। বিজ্ঞাপনী ব্যবসায় দীর্ঘ সম্পৃক্ততার কারণে, তিনি বিভিন্ন সেক্টর এবং ইন্ডাস্ট্রি-এর স্থানীয় এবং আন্তর্জাতিক ক্লায়েন্টদের বিভিন্ন পরিসরে সেবা প্রদান করেছেন।

মিসেস চৌধুরী মার্কা নামে তার নিজস্ব ইন্টেগ্রেটেড মার্কেটিং কমিউনিকেশনস এজেন্সি প্রতিষ্ঠা করার পূর্বে অ্যাডকম লিমিটেড (দেশের সবচেয়ে পুরোনো এবং জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন সংস্থাগুলোর অন্যতম)-এ তার কর্মজীবন শুরু করে ধাপে ধাপে ডিরেক্টর পদে উন্নীত হন। পরবর্তীতে, মার্কা-কে অগিলভি অ্যান্ড ম্যাথার ওয়ার্ল্ডওয়াইড (ডব্লিউপিপি গ্রুপের অঙ্গপ্রতিষ্ঠান) অধিগ্রহণ করে এবং মিসেস চৌধুরী অগিলভি অ্যান্ড ম্যাথার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এবং শেয়ারহোল্ডার) হিসেবে নিযুক্ত হন। অতীতে তিনি অগিলভি এপেক আঞ্চলিক কাউন্সিলের সদস্য এবং অ্যাডভার্টাইজিং এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ-এর সহকারী সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও নিয়োজিত ছিলেন। ২০২০ সালে মিসেস চৌধুরী অ্যাডভার্টাইজিং ইন্ডাস্ট্রি থেকে সরে এসে কনসালটেন্সি বিজনেসে সম্পৃক্ত হন।

এছাড়াও, মিসেস চৌধুরী অ্যাডকম হোল্ডিংস-এর একজন ডিরেক্টর যার বিভিন্ন শিল্পে (হসপিটালিটি, মিডিয়া এবং আইটিসহ) ব্যবসায়িক সম্পৃক্ততা রয়েছে৷

মিসেস চৌধুরী যুক্তরাজ্যের লন্ডন স্কুল অফ ইকোনমিক্স অ্যান্ড পলিটিক্যাল সায়েন্স থেকে ম্যানেজমেন্টের উপর বিএসসি (অনার্স) এবং এমএসসি অর্জন করেন।

জনাব নিকোলাস হিউজ
পরিচালক
জনাব নিকোলাস হিউজ পরিচালক

নিকোলাস হিউজ মানি ইন মোশন এলএলসি এর মনোনীত বিকাশ লিমিটেড এরপরিচালনা পর্ষদের একজন পরিচালক। তিনি, ২০০৯ সালে ক্রমবর্ধমান বাজারে মোবাইল ব্যবসার সুযোগের প্রতি নজর দেয়ার উদ্দেশ্যে গঠিত “সিংগেল পয়েন্ট পার্টনারস” এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। এর আগে হিউজ ভোডাফোনের মোবাইল পেমেন্টসের প্রধান ছিলেন, ওই সময়েই তিনি কেনিয়াতে এম-পেসা সেবা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০০৭ সালে এম-পেসার প্রবর্তনের পর এটি ১৩ মিলিয়নেরও বেশী গ্রাহকের নজর কেড়েছে।

২০১০ সালে সামাজিক ও অর্থনৈতিক প্রভাবের জন্য তিনি “ইকোনমিক ইনোভেশন” খেতাব অর্জন করেন। তিনি অ্যাপ্লাইড সাইন্স এ পিএইচডি (১৯৯২) এবং লন্ডন বিজনেস স্কুল থেকে কৃতিত্তের সাথে এমবিএ সম্পন্ন করেছেন (২০০১)।

জনাব শিনিয়া ইয়োশিনো
পরিচালক
জনাব শিনিয়া ইয়োশিনো পরিচালক

জাপান, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, এশিয়া, ল্যাটিন আমেরিকা এবং অন্যান্য নতুন এবং অগ্রসরমান বাজারে আর্থিক ও প্রযুক্তি খাতে  জনাব শিনিয়া ইয়োশিনো’র রয়েছে দীর্ঘ ১৬ বছরেরও বেশি অভিজ্ঞতা। আইএফসি’র সাথে তার কর্মজীবন শুরু হয় ২০০৭ সালে। আইএফসি’তে তিনি ফিনটেক ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ইনভেস্টমেন্ট এবং কর্পোরেট ফাইন্যান্স প্রকল্প বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন। এছাড়াও তিনি একাধিক পোর্টফোলিও কোম্পানি পরিচালনাও করেছেন। তিনি ফিনটেক-এর প্রাথমিক স্টেজ/গ্রোথ বিনিয়োগের উপর মনোনিবেশ করেন। তিনি বর্তমানে আইএফসি’র ফিনটেক বিনিয়োগের গ্লোবাল পোর্টফোলিও অপারেশনের নেতৃত্ব দিচ্ছেন এবং বিশ্বব্যাপী ৪৫ টির অধিক সক্রিয় বিনিয়োগ পরিচালনা করছেন। আইএফসি’তে যোগদানের আগে, শিনিয়া প্রযুক্তি জায়ান্ট মিৎসুবিশি কর্পোরেশনের জন্য কাজ করেছেন, যেখানে তিনি আইটি ব্যবসা, ব্যবসার উন্নয়ন এবং কৌশলগত অংশীদারিত্বে বিনিয়োগের জন্য দায়িত্বরত ছিলেন। শিনিয়া কিয়ো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএ এবং হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

জনাব গুওমিং চ্যাং
পরিচালক
জনাব গুওমিং চ্যাং পরিচালক

জনাব গুওমিং চ্যাং আলিপে সিঙ্গাপুর ই-কমার্স প্রাইভেট লিমিটেড এর মনোনীত বিকাশ লিমিটড এর পরিচালনা পর্ষদের একজন পরিচালক। তিনি অ্যান্ট গ্রুপের একজন সিনিয়র ডিরেক্টর হিসেবে দায়িত্বরত আছেন। এছাড়া তিনি গ্লোবাল পেমেন্ট পার্টনারশিপ-এর প্রধান যার আওতায় রয়েছে কোরিয়া, হংকং, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ড, ভারত, আফ্রিকা, বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান সহ বিশ্বের নানা দেশে অ্যান্ট গ্রুপের পেমেন্ট সম্পর্কিত জয়েন্ট ভেঞ্চার ও পার্টনারসমূহ। ফিনটেক এবং অনলাইন পেমেন্ট ব্যবসায় তার রয়েছে সুনিপুণ দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা। অ্যান্ট-এ যোগদানের পূর্বে জনাব চ্যাং জে.পি. মরগান, এইচএসবিসি এবং এজিটেক হোল্ডিংস লিমিটেড সহ অন্যান্য স্বানামধন্য বা তালিকাভুক্ত প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন।

জনাব জেসন পার্ক
পরিচালক
জনাব জেসন পার্ক পরিচালক

জনাব জাংনাম জেসন পার্ক সফটব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার্স দ্বারা মনোনীত বিকাশ লিমিটেডের একজন ডিরেক্টর। তিনি সফটব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার্স-এর একজন ইনভেস্টমেন্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট, যা সফটব্যাংক ভিশন ফান্ড-এর ফান্ড পরিচালনা করে। বর্তমানে তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং কোরিয়ার প্রযুক্তি কোম্পানি চিহ্নিতকরণ এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাজ করছেন। মি. পার্ক ২০১৭ সালে সফটব্যাংকে যোগদানের পর থেকে বাংলাদেশে বিকাশ-সহ এশিয়াতে ভিসি ইনভেস্টমেন্ট-এ বিস্তৃত পরিসরে সক্রিয় রয়েছেন। এর পূর্বে, তিনি এসকে টেলিকম এবং এলজি ইলেকট্রনিক্স-এর একজন টেকনোলজি স্ট্র্যাটেজিস্ট ছিলেন, যেখানে তিনি তাদের টেকনোলজি অ্যাকুইজিশন এবং অ্যালায়েন্স-এর জন্য কর্পোরেটদের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে সহায়তা করতেন। এছাড়াও তিনি ২০০৯ সালে ফ্রন্টরো নামক একটি ফ্যাশন ই-কমার্স কোম্পানি সহ-প্রতিষ্ঠা করেন, যা বর্তমানে শিনসেগে গ্রুপের একটি অঙ্গপ্রতিষ্ঠান। তিনি সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি থেকে অর্থনীতিতে বিএ ডিগ্রি লাভ করেন, যেখানে তিনি এগ্রিকালচারাল ইকোনমিকস অ্যান্ড রুরাল ডেভেলপমেন্ট-এ মেজর করেন।

জনাব ক্রিস লি
পরিচালক
জনাব ক্রিস লি পরিচালক

মি. ক্রিস লি সফটব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার্স দ্বারা মনোনীত বিকাশ লিমিটেডের একজন ডিরেক্টর। তিনি সফটব্যাংক ইনভেস্টমেন্ট অ্যাডভাইজার্স-এর একজন ইনভেস্টমেন্ট ডিরেক্টর, যা সফটব্যাংক ভিশন ফান্ড-এর ফান্ড পরিচালনা করে। তিনি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং কোরিয়ার প্রযুক্তি কোম্পানি চিহ্নিতকরণ এবং বিনিয়োগের ক্ষেত্রে বিশেষভাবে কাজ করছেন। মি. লি সিঙ্গাপুরে অবস্থান করছেন এবং বর্তমানে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া (বায়োফোরমিস, ট্র্যাক্স, কারো, অ্যাডভান্স ইন্টেলিজেন্স গ্রুপ) এবং কোরিয়া (ইয়ানোলজা, আরআইআইআইডি)-এর বিভিন্ন সংস্থার বিনিয়োগের একজন বোর্ড ডিরেক্টর।

সফটব্যাংক-এ যোগদানের পূর্বে, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, হংকং এবং সিঙ্গাপুরের জিআইসি, সিভিসি ক্যাপিটাল পার্টনার এবং হেডল্যান্ড ক্যাপিটাল পার্টনার্স-এর প্রাইভেট ইক্যুইটি ইনভেস্টমেন্ট-এ বিভিন্ন ভূমিকায় যুক্ত ছিলেন। মি. লি শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেছেন।

জনাবা আনিতা গাজী রহমান
পরিচালক
জনাবা আনিতা গাজী রহমান পরিচালক

মিসেস আনিতা গাজী রহমান ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেড কর্তৃক মনোনীত বিকাশ লিমিটেডের একজন পরিচালক। তিনি ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারিতে ব্র্যাক ব্যাংক লিমিটেডের বোর্ডে একজন ইন্ডেপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর হিসেবে নিযুক্ত হন।

তিনি চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ এবং লাইটক্যাসল পার্টনার্স এর একজন ইন্ডেপেন্ডেন্ট ডিরেক্টর। তিনি ন্যাশনাল অ্যাডভাইসরি বোর্ড ফর ইমপ্যাক্ট ইনভেস্টমেন্ট ইন বাংলাদেশ এর একজন সদস্য এবং বাংলাদেশের আইসিটি মন্ত্রণালয়ের ফ্ল্যাগশিপ ভেঞ্চার ক্যাপিটাল ফান্ড স্টার্টআপ বাংলাদেশ লিমিটেডের বিনিয়োগ কমিটির সদস্য।

তার কর্পোরেট লিগ্যাল সেক্টরে অভিজ্ঞতা রয়েছে এবং দ্যা লিগ্যাল সার্কেল নামে তার নিজের ল ফার্মের আইনি অনুশীলনের প্রধান। তিনি ব্যবসা গঠন, কর্মসংস্থান, অর্থায়ন, আইপি, সার্ভিসেস এবং ক্রয়চুক্তি, যৌথ উদ্যোগ, একীভূতকরণ এবং অধিগ্রহণ এবং অন্যান্য ব্যবসা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে কর্পোরেট এবং লেনদেন সংক্রান্ত পরামর্শ প্রদান করেন।

এছাড়াও, মিসেস আনিতা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ইনকিউবেটর এবং এক্সেলারেটর প্রোগ্রামের পরামর্শদাতা। সেইসাথে মিসেস আনিতা বেটারস্টোরিজ, ফাউন্ডারস’ ইনস্টিটিউট, জিপি এক্সেলারেটর, লাইটক্যাসল সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড লার্নিং, সিডস্টারস, স্টার্টআপ ঢাকা, ওয়াইজিএপি এবং বিওয়াইএলসি ভেঞ্চারসহ বেশকিছু প্রতিষ্ঠানের পরামর্শদাতা। তিনি বাংলাদেশ এঞ্জেলস নেটওয়ার্ক (বিএএন) এর অন্যতম পৃষ্ঠপোষক-সদস্য।

তিনি ২০০২ সালে ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন (ইউসিএল) থেকে এলএলবি (অনার্স) ডিগ্রি এবং ২০০৩ সালে জুলাইয়ে লিংকন্স ইন থেকে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলসের বারে যোগদান করেন। মিসেস আনিতা ২০০৪ সালে বাংলাদেশে একজন অ্যাডভোকেট হিসেবে, হাইকোর্ট বিভাগের অ্যাডভোকেট হিসেবে ২০০৬ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট এবং ২০১৮ সালে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের সর্বোচ্চ আদালতের অ্যাডভোকেট হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্ত হন।

জনাব ডগলাস ফেগিন
পরিচালক
জনাব ডগলাস ফেগিন পরিচালক

মি. ডগলাস ফেগিন আলিপে সিঙ্গাপুর ই-কমার্স প্রাইভেট লিমিটেড দ্বারা মনোনীত বিকাশ লিমিটেডের একজন পরিচালক। তিনি ২০১৮ থেকে ২০২০ সাল পর্যন্ত বিকাশ এর একজন বোর্ড ডিরেক্টর ছিলেন। বর্তমানে তিনি অ্যান্ট গ্রুপের গ্লোবাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ এবং ইনভেস্টমেন্টস এর সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবেও কর্মরত আছেন। তিনি ২০১৬ সালের জুনে অ্যান্ট ফাইন্যান্সিয়াল-এ সেখানকার বিশ্বায়ন কৌশলের পাশাপাশি আলিপে-এর ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস ডেভেলপমেন্ট, অপারেশন্স এবং মার্কেটিং অ্যাক্টিভিটি পরিচালনার জন্য যোগদান করেন। অ্যান্ট ফাইন্যান্সিয়াল-এ যোগদানের আগে, মি. ফেগিন গোল্ডম্যান, স্যাশ অ্যান্ড কো-এর একজন সিনিয়র পার্টনার ছিলেন এবং ব্যাংকিং, টেক এবং ইন্স্যুরেন্সসহ বেশকিছু সেক্টরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ল্যাটিন আমেরিকা এবং এশিয়ার বিস্তৃত ক্লায়েন্টদের সাথে সাফল্যের সাথে সম্পর্ক বজায় রেখেছিলেন। গোল্ডম্যান, স্যাশ-এ ২১ বছরের কর্মজীবনে মি. ফেগিন একত্রীকরণ এবং অধিগ্রহণ, আইপিও, ইক্যুইটি অফার, মূল বিনিয়োগ এবং কর্পোরেট পুনর্গঠনে বিশেষায়িত ছিলেন। তিনি ২০০২ সালে গোল্ডম্যান স্যাশ-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে ২০০৬ সালে একজন পার্টনার হন। তিনি ১৯৮৮ সালে ইউনিভার্সিটি অফ ভার্জিনিয়া থেকে স্নাতক ডিগ্রি হন এবং ১৯৯৪ সালে হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে এমবিএ ডিগ্রি অর্জন করেন।

জনাব ডা. জামালউদ্দিন আহমেদ, এফসিএ
পরিচালক
জনাব ডা. জামালউদ্দিন আহমেদ, এফসিএ পরিচালক

ডা. জামালউদ্দিন আহমেদ, এফসিএ মানি ইন মোশন এলএলসি দ্বারা মনোনীত বিকাশ লিমিটেডের একজন পরিচালক। তিনি অন্যতম পৃষ্ঠপোষক পরিচালক এবং ইমার্জিং ক্রেডিট রেটিং লিমিটেডের চেয়ারম্যান। মি. আহমেদ পেশাগতভাবে একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং বিভাগ থেকে অনার্স এবং মাস্টার্সে প্রথম শ্রেণীতে ডিগ্রি এবং ১৯৯৬ সালে কমনওয়েলথ স্কলারশিপের অধীনে ইউনিভার্সিটি অফ ওয়েলস এর কার্ডিফ বিজনেস স্কুল থেকে অ্যাকাউন্টিংয়ে পিএইচডি অর্জন করেন।

বাংলাদেশের আর্থিক খাতে তার বহু বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি বেশকিছু ব্যাংক, লিজিং কোম্পানি, এনার্জি কোম্পানি, তালিকাভুক্ত নন-ব্যাংক কোম্পানি এবং অনেক স্থানীয় ও বহুজাতিক কোম্পানির কর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োজিত ছিলেন।

তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক (২০১৬-২০১৯), জনতা ব্যাংক লিমিটেড (২০০৮-২০১৩), গ্রামীণফোন লিমিটেড (২০১০-২০১৫), ঢাকা ওয়াসা, ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ লিমিটেড, অ্যাসেন্সিয়াল ড্রাগস লিমিটেড এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেড-এর এইচআর কমিটির পরিচালনা পর্ষদের সদস্য ছিলেন। এছাড়াও তিনি বাংলাদেশ ব্যাংক, জনতা ব্যাংক লিমিটেড, গ্রামীণফোন লিমিটেড এবং পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশ লিমিটেডের এইচআর কমিটির বোর্ড অডিট কমিটির চেয়ারম্যান ছিলেন। ১৯৯৯ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত, তিনি দেলয়েট ট্যুশ অ্যান্ড তোহমাতসু-এর অধীনে একটি ইন্ডেপেন্ডেন্ট ফার্ম, হুদা ভাসী চৌধুরী & কোং-এর অংশীদার ছিলেন।