পার্টনার সমূহ

বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন

প্রতিটি মানুষের জীবনই সমান গুরুত্বপূর্ণ এই বিশ্বাস নিয়ে বিল ও মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন সকল মানুষকে স্বাস্থ্যসম্মত, উত্পাদনমুখী জীবন যাপনে সাহায্য করার লক্ষ্যে কাজ করে আসছে। উন্নয়নশীল দেশগুলোতে, এটি রোগ প্রতিরোধক টীকা এবং জীবনরক্ষাকারী উপাদানের মাধ্যমে মানুষের স্বাস্থ্যগত উন্নতি, এবং ক্ষুধা ও অতী-দারিদ্রতা থেকে উত্তোরনের সুযোগ করে দেয়ার প্রতি নজর দিচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে, এটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষাগত উন্নয়নের জন্য কাজ করছে যাতে যুবসমাজ তাদের সম্পূর্ণ সম্ভাবনা পর্যন্ত পৌঁছাতে সুযোগ পায়। সিটল, ওয়াশিংটন ভিত্তিক এই প্রতিষ্ঠানটির নেতৃত্ব দিচ্ছেন সিইও জেফ রাইক্স ও সহ-সভাপতি উইলিয়াম এইচ গেটস সার, এবং পরিচালনা করছেন বিল ও মেলিন্ডা গেটস, ও ওয়ারেন বাফেট।

Visit partner's site
গ্রামীণ ফোন

৫০ মিলিয়নের ও বেশী গ্রাহক নিয়ে গ্রামীণফোন হল বাংলাদেশের নেতৃস্থানীয় টেলিযোগাযোগ সেবা সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান (অক্টোবার ২০১৪)। এটি গ্রামীণ টেলিকম কর্পোরেশন ও নরওয়ের টেলিনর এর যৌথ উদ্যোগে গঠিত, যার আরও ১২ টি দেশে কার্যক্রম চলছে। গ্রামীণফোন-ই ১৯৯৭ সালে বাংলাদেশে প্রথম জিএসএম প্রযুক্তির প্রবর্তন করে।

Visit partner's site
রবি

রবি এক্সিয়াটা লিমিটেড , এক্সিয়াটা গ্রুপ বারহাদ, মালয়েশিয়া ও এনটিটি ডোকোমো ইনকর্পোরেশন, জাপান এর একটি যৌথ উদ্যোগ। আনুষ্ঠানিকভাবে এটি টেলিকম মালয়েশিয়া ইন্টারন্যাশনাল (বাংলাদেশ) নামে পরিচিত, যা ১৯৯৭ সালে “একটেল” নামে বাংলাদেশে এর কার্যক্রম শুরু করেছে। ২৮ শে মার্চ ২০১০-এ এর সেবার নাম পরিবর্তন করে “রবি” করা হয় এবং রবি এক্সিয়াটা লিমিটেড নামে কোম্পানীটি পুনঃ-পরিচিতি লাভ করে। বাংলাদেশে রবির  ২৫ মিলিয়নেরও বেশী গ্রাহক রয়েছে।

Visit partner's site
ফান্ডামো, একটি ভিসা প্রতিষ্ঠান

ফান্ডামো ভিসা ইনকর্পোরেশনের সম্পূর্ণ মালিকানাধীন একটি সহায়ক প্রতিষ্ঠান, এবং মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটর ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য মোবাইল আর্থিক সেবার নেতৃস্থানীয় প্লাটফর্ম সরবরাহকারী। আফ্রিকা, এশিয়া, এবং মিডিল ইস্ট সহ  ৩৪ টিরও বেশী দেশে ফান্ডামো এন্টারপ্রাইজ ব্যক্তি থেকে ব্যক্তি অর্থ প্রদান ,বিল পরিশোধ, তারবিহীন এয়ারটাইম টপ-আপ ও টিকেট করা প্রভৃতি মোবাইল আর্থিক সেবা প্রদানের মাধমে ফান্ডামোর মোবাইল আর্থিক সেবাসমুহের প্লাটফর্ম স্থাপন করেছে। সাউথ আফ্রিকার কেপ টাউন এ ফান্ডামোর প্রধান কার্যালয় অবস্থিত।

Visit partner's site
ব্র্যাক

লক্ষাধিক কর্মী কর্তৃক প্রায় ১৩.৮ কোটি মানুষের কাছে সেবা পৌঁছে দেওয়ার মাধ্যমে ব্র্যাক আজ বিশ্বের সর্ববৃহৎ বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থায় পরিণত হয়েছে।

উন্নয়নক্ষেত্রে ব্র্যাক সাফল্যের একটি উপাখ্যান। বাংলাদেশে দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকান্ডের সূচনা ঘটিয়ে ব্র্যাক নিজেকে এশিয়া, আফ্রিকা ও ক্যারিবীয় অঞ্চলের ১১টি উন্নয়নশীল দেশে বিস্তৃত করেছে। বিশ্বব্যাপী দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য জীবনমান উন্নয়নে বিভিন্ন সুযোগ সৃষ্টি করে সংস্থাটি বৈশ্বিক পরিমন্ডলে নেতৃত্ব প্রদান করছে। ব্র্যাক কয়েকটি শব্দের প্রথম অক্ষর মিলিয়ে কোন সংক্ষেপণ নয়, বরং বিশ্বব্যাপী তার কর্মকান্ডের ব্যাপক বিস্তারকে সার্বজনীন রূপ দেওয়ার জন্য আক্ষরিক বিশ্লেষণ বাদ দিয়ে ‘ব্র্যাক’ এখন একটি অভিধা হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে।

ব্র্যাকের সামগ্রিক কর্মকৌশলে ক্ষুদ্রঋণ, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, আইন সহায়তাসহ নানাবিধ কর্মকান্ডকে সমন্বিত করা হয়েছে। সেইসঙ্গে ব্র্যাক জনগোষ্ঠীর নিজস্ব বস্তুগত ও মানবিক সম্পদ ব্যবহার করে স্থায়ী পরিবর্তনসাধন এবং ভারসাম্যপূর্ণ পরিবেশ গড়ে তোলে, যেখানে দরিদ্র জনগোষ্ঠী নিজেরাই তাদের জীবনধারার নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হয়ে ওঠে। ব্র্যাক বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় উন্নয়ন ও মানবিক সাহায্য সংস্থাসমূহের মধ্যে দক্ষিণ গোলার্ধভিত্তিক অল্প কয়েকটি সংস্থার অন্যতম।

২০১৩ সালে ব্র্যাক বিল এন্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এর সহযোগিতায় ইনোভেশন ফান্ড ফর মোবাইল মানি প্রোজেক্টটি শুরু করে যার উদ্দেশ্য দারিদ্র্য বিমোচনে মোবাইল মানির ব্যবহার এবং বিস্তৃতি অনুসন্ধান করা। ব্র্যাক ইতিমধ্যে বিকাশ-এর মাধ্যমে দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য স্কুল ফি প্রদান থেকে শুরু করে সঞ্চয় জমাদান এ ধরনের ১০টি পরীক্ষামূলক প্রকল্প পরিচালনা করেছে। এ উদ্যোগের সফলতার উপর ভিত্তি করেই ব্র্যাক এ প্রকল্পগুলোকে আরও প্রসারিত করা এবং অর্গানাইজেশনাল সিস্টেমকে ডিজিটাল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের উপযুক্ত করার পরিকল্পনা করেছে। এই উদ্যোগের ভিতর অন্তর্ভূক্ত আছে গ্রাহকদের দক্ষতা উন্নয়ন, পলিসি এবং সফটওয়্যার উন্নয়ন এবং  সম্পূর্ণ সংস্থাব্যাপী লেনদেনের প্রক্রিয়াকে আরও দক্ষ ও সহজতর করা।

ইনোভেশন ফান্ড সর্ম্পকে আরও জানতেঃ http://innovation.brac.net/fundchallenge/

ব্র্যাক এর প্রথম রাউন্ডের পাইলট প্রকল্পগুলো থেকে আমরা যা শিখেছি তা পড়ুনঃ http://innovation.brac.net/fundchallenge/wp-content/uploads/2015/12/BRAC_Lessons_Learned_Booklet_081215.pdf

Visit partner's site
বাংলালিংক

বাংলালিংক (ওরাসকম টেলিকম বাংলাদেশ লিমিটেড) সম্পূর্ণভাবে ওরাসকম টেলিকম ভেঞ্চার’স লিমিটেড (ও টি ভি) এর সম্পূর্ণ মালিকানাধীন; গ্রুপটির   পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান হচ্ছে ভিম্পেলকম, যা বিশ্বের ষষ্ঠ বৃহত্তম মোবাইল অপারেটর। বাংলালিংক- বাংলাদেশের ২য় বৃহত্তম জি এস এম মোবাইল অপারেটর,  ফেব্রুয়ারী ২০০৫ সাল থেকে বাণিজ্যিক কার্যকম শুরু করে। এটি সাত বছরের কার্যক্রম এর মধ্যেই ২.৫ কোটি গ্রাহকসীমা অতিক্রম করেছে। বাংলালিংক সাধারণ মানুষের কাছে মোবাইল সেবা পৌছানোর লক্ষ্য নিয়ে বাজারে প্রবেশ করেছে। বাংলালিংক গ্রাহকের চাহিদা নির্ণয়ে অত্যন্ত পারদর্শী, এবং  জনসাধারণের  জীবনে পরিবর্তন আনতে নির্ভরযোগ্য এবং সাশ্রয়ী যোগাযোগ সেবা প্রদানের লক্ষ্যে নিরলসভাবে কাজ করে আসছে। 

বর্তমানে বাংলালিংক-এর গ্রাহকসংখ্যা ৩ কোটি ৫০ লাখ (এপ্রিল ২০১৪ পর্যন্ত), যা দেশের মোট মোবাইল ব্যবহারকারীর ২৫.৪৭ শতাংশ।

Visit partner's site
এয়ারটেল

এয়ারটেল বাংলাদেশ লিমিটেড বাংলাদেশে এর দ্রুততম ক্রমবর্ধমান মোবাইল সেবা প্রদানকারী একটি প্রতিষ্ঠান এবং ভারতী  এয়ারটেল লিমিটেড (একটি নেতৃস্থানীয় আন্তর্জাতিক টেলিযোগাযোগ সেবা প্রদানকারী) এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান । কোম্পানিটি ব্যাপকহারে উদ্ভাবনী মোবাইল সেবা নিয়ে এসেছে, যেমন ভয়েস,  ভ্যালু আডেড সার্ভিস, ডাটা। এম-কমার্স পণ্য এবং এর প্রধান লক্ষ্য মোবাইল নেটওয়ার্ক (কভারেজ ও সক্ষমতা উভয়ই) বিস্তৃত করার  উপর। ৮ মিলিয়ন এর অধিক গ্রাহকের সঙ্গে, চমৎকার তথ্য সেবার জন্য দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ইয়ুথ ব্র্যান্ড এয়ারটেল বাংলাদেশ।  

Visit partner's site
টেলিটক

টেলিটক একটি পাবলিক লিমিটেড কোম্পানি। জয়েন্ট স্টক কোম্পানিতে নিবন্ধনকৃত টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডদেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীনমোবাইল অপারেটরহিসেবেযাত্রা শুরু করে ২০০৪ সালের ২৬ ডিসেম্বর।

গ্রাহকদের উন্নতমানের পণ্য ও টেলিকমসেবা দেয়াই টেলিটকের মূল লক্ষ্য - যাইতিমধ্যে দেশের মোবাইল ফোন খাতেবিপ্লব নিয়ে এসেছে দেশ এবং দেশের বাইরের কোটি মানুষকে সম্পৃক্তকরে।নানা চড়াই-উৎরাই পেরিয়ে টেলিটক এখন অনেকটাই পৌঁছে গেছে সাফল্যের দ্বারপ্রান্তে।

 

Visit partner's site