গল্প

সুদেব কুমার ঘোষ দীর্ঘদিন ধরে দুগ্ধজাত পণ্য উৎপাদনের পারিবারিক ব্যবসা পরিচালনা করছেন। প্রথাগত ব্যবস্থায় আর্থিক লেনদেন করার কারণে তার অনেক সময় এবং শ্রম ব্যয় হত। এর জন্যে প্রায়ই তাকে উৎপাদন স্থগিত রেখে ক্রেতাদের পাঠানো টাকা সংগ্রহ করতে যেতে হত। কিন্তু এখন বিকাশ থাকায় তাকে আর কাজ ফেলে যেতে হয়না, এখন তিনি নিরাপদে এবং মুহুর্তেই নিজের মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ক্রেতাদের সাথে লেনদেন করতে পারেন এবং দিন শেষে কাজের পরে গিয়ে টাকা তুলে আনতে পারেন। এর ফলে তিনি তার সময় এবং মূলধন আরও দক্ষতার সাথে ও কার্যকরভাবে পরিচালনা করতে পারেন।
গল্প দেখুন
মানিক মিয়া ময়মনসিংহের ত্রিশাল থেকে ঢাকায় মাছ সরবরাহ করেন। প্রথাগত ব্যবস্থায় লেনদেনের জটিলতা এব বিলম্বের কারণে প্রায়ই সময়মত চালানের টাকা পরিশোধ করতে না পারায় তাজা মাছ কিনতে পারতেন না। কখনও কখনও মাছ নষ্ট হয়ে যেত যার ফলে ব্যবসার ক্ষতি হত। মানিক এখন বিকাশ এর মাধ্যমে মুহূর্তেই সাপ্লাইয়ারদেরকে টাকা পরিশোধ করতে পারেন। যার ফলে এখন অপচয় এবং লস অনেকাংশেই কমে গিয়েছে।
গল্প দেখুন
যশোরের ভেকুটীয়ার মোসাম্মৎ পারভিনা বেগম একজন গৃহিণী। ছোট ছেলের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হবার শেষ তারিখে জরুরী ভিত্তিতে তার টাকা পাঠানোর প্রয়োজন পরে। পারভিনা সেদিনই প্রথম বিকাশ ব্যবহার করেন। তিনি কৃতজ্ঞতার সাথে স্বীকার করেন যে জরুরী সময়ে বিকাশ এর মাধ্যমে টাকা পাওয়ার কারণে তার ছেলে উচ্চ শিক্ষার জন্য রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায়।
গল্প দেখুন
ম্যাকডোনাল্ড সিং সায়মন বন্দর নগরী চট্টগ্রামে একজন ডাটা এন্ট্রি অফিসার হিসেবে কাজ করেন। নওগাঁতে তার গর্ভবতী স্ত্রী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পরলে বাড়ি থেকে ফোন আসে জরুরী ভিত্তিতে টাকা পাঠানোর জন্যে। সায়মন বিকাশ এর মাধ্যমে মুহূর্তেই টাকা পাঠাতে সক্ষম হন এবং তার সন্তানের ডেলিভারী সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন হয়। সায়মনের বাবা হওয়ার সেই স্মরণীয় দিনের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে রয়েছে বিকাশ।
গল্প দেখুন
আনসারুল হক একজন বীজ ব্যবসায়ী। একজন দায়িত্বশীল ছেলের মতো তিনি পারিবারিক দায়িত্বগুলো খুব গুরুত্ব্বের সাথে পালন করেন। অসুস্থ বাবাকে তিনি চিকিৎসার জন্যে গ্রামের বাড়ি ময়মনসিংহ থেকে রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসেন, কিন্তু আসার পর দ্রুতই আরও টাকার দরকার পরে। কিছু টেস্ট করার জন্য জরুরী ভিত্তিতে যখন আনসারুলের টাকার প্রয়োজন হয় তখন তার বিকাশ একাউন্ট তাকে স্বস্তি দেয়। ফোন করার সাথে সাথেই বাড়ি থেকে তাকে টাকা পাঠিয়ে দেয় এবং সুষ্ঠুভাবে তার বাবার চিকিৎসা সম্পন্ন হয়।
গল্প দেখুন
কাজী আফিয়া একজন ছাত্রী। তিনি ঢাকায় থাকেন। কিছুদিন হল নিজের একটি অনলাইন ফ্যাশন হাউজ চালু করেছেন। গ্রাহকদের কাছ থেকে পেমেন্ট কালেক্ট করাটা তার ব্যবসার অন্যতম বড় একটি সমস্যা হয়ে দাঁড়ায়। অনলাইনে অর্ডার দেওয়ার পর প্রায়ই গ্রাহকরা পেমেন্ট দিতে দেরি করতো অথবা টাকা পাঠাতে তাদেরকে নানা অসুবিধার সম্মুখীন হতে হত। এর ফলে মাঝে মাঝে তিনি গ্রাহক হারাতেন অথবা ব্যবসার ক্ষতি হতো। আফিয়া এবং তার গ্রাহকদেরকে এই সব ঝামেলা থেকে মুক্তি দিয়েছে বিকাশ । তিনি এখন স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে মুহূর্তেই লেনদেন করতে পারেন । এতে তার গ্রাহকদের সন্তুষ্টি বেড়েছে এবং পেমেন্ট করাও অনেক সুবিধাজনক হয়েছে।
গল্প দেখুন
মায়া গ্রামের একজন গৃহিণী। তার স্বামী রাজু শহরে কাজ করে। একটি জরুরি প্রয়োজনে টাকার দরকার হওয়ায় সে রাজুকে ফোন করে। রাজু তখনই তার বিকাশ একাউন্টটি ব্যাবহার করে তার মোবাইল থেকে মায়ার মোবাইলে টাকা পাঠিয়ে দেয়। মায়া কাছের একটি বিকাশ এজেন্টের কাছে গিয়ে তার মোবাইল থেকে এজেন্টের মোবাইলে টাকা স্থানান্তর করে এবং পরিবর্তে এজেন্টের কাছ থেকে সমপরিমাণ টাকা নগদ বুঝে নেয়। বিকাশ মায়ার আর্থিক ভাবনাগুলোর সমাধান এনে দেয় সহজেই।
গল্প দেখুন
রাজু তার গ্রামে থাকা পরিবারের আর্থিক চাহিদা মেটাতে শহরে কাজ করে। গ্রামের বাড়িতে টাকা পাঠানো এত সহজ ছিল না কখনই। কিন্তু এখন রাজুর কাছে আছে তার মোবাইলে একটিভেট করা বিকাশ একাউন্ট এবং সে এখন তার বিকাশ একাউন্ট থেকেই তার স্ত্রী মায়ার কাছে টাকা পাঠাতে পারে মুহূর্তেই। রাজু এখন তার পরিবাবের সুসম্পূর্ণ দেখাশুনা করতে পারছে বলে নিশ্চিন্ত। দেশজুড়ে দ্রুত ও নিরাপদে টাকা পাঠানোর সুবিধা দিচ্ছে বিকাশ।
গল্প দেখুন
আর্থিক বিষয়গুলো সবসময়ই আমাদের ভাবিয়ে তোলেঃ বাড়িতে টাকা পাঠানো, সময়ের মধ্যে বিল পরিশোধ, নিরাপদে টাকা সাথে রাখাসহ নানা বিষয়। এখন বিজ্ঞান এবং প্রযুক্তির অগ্রগতির সাথে সাথে, ব্যাংকিং এবং টেলিযোগাযোগ শিল্প একত্রিত হয়ে এর সমাধান এনে দিয়েছে আপনার দোরগোড়ায়ঃ বিকাশ- মোবাইলের মাধ্যমে অবিলম্বে টাকা পাঠানো অথবা পাওয়ার সবচেয়ে সহজ উপায়।
গল্প দেখুন