মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলতে পরিবেশকদের পরামর্শ দিল বিকাশ

নভেম্বর ১৮, ২০১৯ ঢাকা

মানি লন্ডারিং প্রতিরোধে প্রচলিত নিয়মকানুন কঠোর ভাবে মেনে চলতে পরিবেশকদের পরামর্শ দিয়েছে দেশের সবচেয়ে বড় মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ।

সম্প্রতি সারাদেশের পরিবেশকদের নিয়ে আয়োজিত ‘বার্ষিক পরিবেশক সম্মেলন-২০১৯’-এ এই পরামর্শ দেয় প্রতিষ্ঠানটি।

রাজধানীর ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেলে আয়োজিত এই সম্মেলনে সারাদেশ থেকে বিকাশের ২ শতাধিক পরিবেশক অংশগ্রহণ করেন। সেখানে এন্টি মানি লন্ডারিং অ্যান্ড কমব্যাটিং ফিন্যান্সিং অব টেরোরিজম (এএমএল-সিএফটি) বিষয়ে প্রশিক্ষণের পাশাপাশি আগামী বছরের ব্যবসায়িক কৌশল নিয়ে আলোচনা করা হয়।

বিকাশের চিফ এক্সটার্নাল অ্যান্ড কর্পোরেট অ্যাফেয়ার্স অফিসার মেজর জেনারেল (অবঃ) শেখ মোঃ মনিরুল ইসলাম বলেন, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ন্ত্রণাধীন সর্ব্বোচ্চ আইন প্রতিপালনকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর একটি বিকাশ। তিনি পরিবেশকদের উদ্দেশে বলেন, “কমপ্লায়েন্স একটি অংশগ্রহণমূলক বিষয় যা আমাদের সমৃদ্ধি এবং এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়। আমরা কঠোরভাবে নিয়ম মেনে চলবো এবং প্রতিটি গ্রাহকের আর্থিক লেনদেন নিরাপদ ও সুরক্ষিত করতে সচেষ্ট থাকবো।"

বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের কাছে বিকাশের সেবা পৌঁছে দিতে পরিবেশকদের অবদানের কথা উল্লেখ করে বিকাশের চিফ কর্মাশিয়াল অফিসার মিজানুর রশীদ ভবিষ্যৎ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি বলেন, “যে কোনও ব্যবসা, যেখানে সামাজিক উন্নয়ন মূল লক্ষ্য, সেখানে গ্রাহকসেবাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া উচিত। দারুণ কিছু করা কেবল তখনই সম্ভব যখন আমরা নিয়ম-কানুন সঠিকভাবে মেনে চলি এবং সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ধারাবাহিকতা বজায় রাখি। পরিবেশকদের দায়িত্বশীলতা গ্রাহকসেবা নিশ্চিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।”

এছাড়াও সম্মেলনে সারাদেশের সব কয়টি অঞ্চলের সেরা পরিবেশকদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়।

 

ব্র্যাক ব্যাংক, যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানি ইন মোশন, বিশ্ব ব্যাংক গ্রুপের অন্তর্গত ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল-এর যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান বিকাশ, ২০১১ সাল থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রিত পেমেন্ট সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিভিন্ন ধরনের ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস দিয়ে আসছে।