বুরো বাংলাদেশ সদস্যদের ক্ষুদ্রঋণ বিতরণ ও কিস্তি পরিশোধ বিকাশে

নভেম্বর ১১, ২০১৮ ঢাকা

সদস্যদের ক্ষুদ্রঋণ গ্রহন ও পরিশোধ সহজ করতে সম্প্রতি শীর্ষস্থানীয় ক্ষুদ্রঋণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বুরো বাংলাদেশ, সবচেয়ে বড় মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান বিকাশ লিমিটেডের সাথে চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।

ক্ষুদ্রঋণ গ্রহণ ও পরিশোধের পাশাপাশি বুরো বাংলাদেশের প্রায় ১৭ লাখ পরিবার প্রতিষ্ঠানটির সাথে তাদের সঞ্চয় স্কিমের কিস্তির টাকাও বিকাশের মাধ্যমেই জমা দিতে পারবেন।

বিকাশের চীফ কর্মশিয়াল অফিসার মিজানুর রশীদ এবং বুরো বাংলাদেশের ডিরেক্টর ফিন্যান্স মোঃ মোশাররফ হোসেন নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। সম্প্রতি বুরো বাংলাদেশের প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বিকাশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা কামাল কাদীর এবং বুরো বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসন সহ উভয় প্রতিষ্ঠানের উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বুরো বাংলাদেশ বর্তমানে সারাদেশে তাদের ৬৪,৮৯৮টি সেন্টারের মাধ্যমে ঋণ বিতরণ ও কিস্তির টাকা গ্রহণ করে। বিকাশের সাথে এই চুক্তির ফলে এখন প্রতিষ্ঠানটি সরাসরি তাদের সদস্যদের বিকাশ একাউন্টে ঋণের টাকা বিতরণ করতে পারবেন, একইভাবে সদস্যরাও তাদের বিকাশ একাউন্ট থেকেই ঋণের কিস্তি পরিশোধ করতে পারবেন। বিকাশে ঋণ বিতরণ এবং কিস্তি পরিশোধের এই সুবিধা বুরো বাংলাদেশ এবং তার সদস্যদের সময় এবং খরচ বাঁচাবে।

২০১১ সালে কার্যক্রম শুরু করা বিকাশ লিমিটেড ব্যাংকিং সেবার বাইরে এবং ভেতরে থাকা সাধারণ মানুষকে ধরনের মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস দিয়ে আসছে। বিকাশ- ব্র্যাক ব্যাংক, ইউএস ভিত্তিক মানি ইন মোশন, ওর্য়াল্ড ব্যাংক গ্রুপের অর্ন্তগত প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স কর্পোরেশন, বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন এবং চীনের আলিবাবা গ্রুপের অ্যাফিলিয়েট অ্যান্ট ফিনান্সিয়াল (আলীপে)-এর যৌথ মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠান।

১৯৯০ সালে প্রতিষ্ঠিত দেশের শীর্ষস্থানীয় এনজিও-মাইক্রো ফিনান্সিং ইন্সিটিউট বুরো বাংলাদেশ সারাদেশের ১৭ লাখ পরিবারের আর্থসামাজিক উন্নয়নে কাজ করছে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের গ্রাহকদের মাঝে মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহারের আগ্রহ পরিমাপের পদক্ষেপ হিসেবে বিকাশের সাথে এই উদ্যোগ গ্রহন করেছে। ক্ষুদ্রঋণ প্রকল্পেমোবাইল ফোন ভিত্তিক ডিজিটাল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহারের সুযোগ কাজে লাগাতে প্রাথমিক ভাবে বুরো বাংলাদেশ ঋণ বিতরণ ও ঋণের অর্থ সংগ্রহে প্রচলিত মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস ব্যবহার করবে।