প্রয়োজনে পাশে বিকাশ

প্রত্যন্ত একটি গ্রামের স্কুল শিক্ষক রহিম মাস্টারের একমাত্র মেয়ে ফাতেমার বিয়ে। বরযাত্রীর দল বিয়ে বাড়িতে পৌঁছাতেই চিরায়ত বাংলার ঐতিহ্য অনুযায়ী মেয়েপক্ষ গেইট ধরে আবদার করে, ‘তিন হাজার টাকা না হলে গেইট ছাড়বো না!’। বরের দুলাভাই সবাইকে অবাক করে টাকাটা দ্রুত বিকাশ-এ পাঠিয়ে দেয়। বরযাত্রীর লোকজন বাড়তি দেখে ফাতেমার বাবা মিষ্টির দোকানে থাকা তার ছোট ছেলে মানিককে ‘আরো তিন কেজি রসগোল্লা বেশি লাগবে’  জানাতেই মানিক বলে তার কাছে যথেষ্ট টাকা নাই। তখনই মিষ্টির দোকানদার ‘পেমেন্টটা বিকাশ করে’ পাঠাতে বলতেই সমস্যার সমাধান হয়ে যায়। ফাতেমার বাবা বিয়েবাড়ি থেকেই মিষ্টির পেমেন্টটা বিকাশ করে দোকানদারকে পাঠিয়ে দেন। এদিকে বরের বন্ধু সুজনের মোবাইল ব্যালেন্স হঠাৎ ফুরিয়ে যাওয়াতে, তার পূর্ব পরিচিত ও কনের সুন্দরী খালাতো বোনের সাথে তার সখ্যতা শুরুতেই হোঁচট খায়। কিন্তু বন্ধুর পরামর্শে মোবাইল ব্যালেন্স রিচার্জও বিকাশ করে নিয়ে ছেলেটা মেয়েটার সাথে যোগাযোগ করতে পারে। এরপর দেখা যায়, ডেকোরেটরের মনজু মিঁয়া তার বাকি টাকা চাইতেই ফাতেমার বাবার কাছে ক্যাশ টাকা না থাকায় তিনি বাড়ির কাছের বিকাশ এজেন্টের দোকান থেকে ‘ক্যাশ আউট’ করে তাকে টাকাটা দিয়ে দেন। এভাবে দেখা যায়,  জীবনের নানাবিধ প্রয়োজনে বন্ধু হয়ে বিকাশ পাশে আছে।