ভিসা টু বিকাশ

ভিসা কার্ড থেকে বিকাশ-এ, টাকা আনুন অনায়াসে! বাংলাদেশের যেকোনো ব্যাংক থেকে ইস্যুকৃত ডেবিট, ক্রেডিট অথবা প্রি-পেইড ভিসা কার্ড থেকে বিকাশ গ্রাহকরা অ্যাড মানি করতে পারবেন। সেইসাথে আপনি কার্ড সেভ করে রাখতে পারবেন ভবিষ্যৎ লেনদেনের জন্য।  

যেকোনো ব্যাংকের ভিসা কার্ড থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা আনুন অনায়াসে, কোনো চার্জ ছাড়াই! 

এখন যেকোনো ব্যাংকের ভিসা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা আনতে পারবেন অনায়াসে, কোনো চার্জ ছাড়াই। শুধু তাই নয়, একবার ভিসা কার্ড থেকে টাকা আনার পর পরবর্তীতে আরো দ্রুত লেনদেনের সুবিধার জন্য কার্ডের তথ্যও সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন। 

যেভাবে সরাসরি ভিসা ডেবিট বা ক্রেডিট কার্ড থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা আনবেন

  • বিকাশ অ্যাপ হোম স্ক্রিন থেকে ‘অ্যাড মানি’ আইকনে ট্যাপ করুন
  • ‘কার্ড টু বিকাশ' ট্যাপ করে ‘ভিসা’ সিলেক্ট করুন
  • আপনার বিকাশ একাউন্ট নাম্বার শুরু থেকেই দেয়া থাকবে, টাইপ করতে হবে না। আর অন্য কারো নাম্বারে টাকা পাঠাতে চাইলে, সেই বিকাশ একাউন্ট নাম্বারটি দিন। তারপর টাকার পরিমাণ দিন
  • এরপর আপনার ভিসা কার্ডের নাম্বার, মেয়াদ এবং CVN নাম্বার দিন (কার্ডের পেছনে থাকা ৩ বা ৪ সংখ্যার ভেরিফিকেশন কোড)। চাইলে পরবর্তী লেনদেনের সুবিধার জন্য কার্ডের তথ্য সংরক্ষণ করে রাখতে পারবেন
  • আপনার নাম্বারে পাঠানো ওটিপি কোড দিয়ে লেনদেন সম্পন্ন করুন
    *একটি বিকাশ একাউন্টে দৈনিক সর্বোচ্চ ৩০,০০০ টাকা পর্যন্ত অ্যাড মানি করা যাবে। প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৫ বার অ্যাড মানি করতে পারবেন। এভাবে প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২৫ বার, সর্বমোট ২,০০,০০০ টাকা পর্যন্ত অ্যাড মানি করতে পারবেন।

অসচরাচর সমস্যা: 

সমস্যা ১: লেনদেন সফল হয়নি

পরিস্থিতি: 

অ্যাড মানি অ্যামাউন্ট ব্যাংক একাউন্ট/কার্ড থেকে কেটে নেওয়া হয়েছে কিন্তু বিকাশ একাউন্টে অ্যাডজাস্ট করা হয়নি।

সমাধান:

সমস্যাটি সমাধানের জন্য আমরা কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের সাথে ইতোমধ্যে যোগাযোগ করেছি। আশা করি, আপনার টাকা ৭ কার্যদিবসের মধ্যে একাউন্টে ফেরত দেয়া হবে।

অনিবার্য কারণে ৭ কার্যদিবসের মধ্যে টাকা ফেরত না আসলে;

অনুগ্রহ করে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন। আশা করি, ব্যাংক  আগামী ১০ কার্যদিবসের মধ্যে এই টাকা ফেরত দিতে যথাযথ ব্যবস্থা নিবে।

উক্ত কোনো সময়সীমার মধ্যে টাকা ফেরত আসেনি;

(যদি বিল স্টেটমেন্টে  স্যাটেল হয়ে থাকে)

অনুগ্রহ করে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকে অভিযোগ করুন। তারপর ব্যাংক ভিসা/মাস্টারকার্ডের নীতিমালা অনুযায়ী সমস্যাটি সমাধান করবে।

সমস্যা ২: গ্রাহক লেনদেন করতে ব্যর্থ হয়েছে

পরিস্থিতি ১:

গ্রাহক অ্যাড মানি করতে অথবা কার্ড সেভ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং কোনো OTP স্ক্রিন দেখা যাবেনা।

সমাধান:

অনলাইন লেনদেনের জন্য কার্ডের ই-কমার্স ট্রানজেকশন চালু করতে, অনুগ্রহ করে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন

পরিস্থিতি ২:

ই-কমার্স ট্রানজেকশন চালু হয়েছে কিন্তু গ্রাহক অ্যাড মানি করতে অথবা বেনিফিশিয়ারি সেভ করতে ব্যর্থ হয়েছে এবং OTP স্ক্রিন সাদা হয়ে আছে।

সমাধান:

আপনি কি আইফোন ব্যবহার করছেন? অনুগ্রহ করে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করে আপনার সমস্যাটি বলুন এবং আপনার স্মার্টফোন ভার্শন সম্পর্কে তাদেরকে জানান।

পরিস্থিতি ৩:

ই-কমার্স ট্রানজেকশন চালু হয়েছে কিন্তু গ্রাহক সেভ করা কার্ড থেকে অ্যাড মানি করতে পারছেননা।

কার্ড সেভ করা না থাকলে লেনদেন করতে পারছেন।

সমাধান:

সমস্যাটি সমাধানের জন্য অনুগ্রহ করে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন

(এবং সিভিভি ছাড়াই সেভ করা কার্ড থেকে লেনদেনের অনুমতি দিতে বলুন)

পরিস্থিতি ৪:

ই-কমার্স ট্রানজেকশন চালু হয়েছে কিন্তু গ্রাহক OTP স্ক্রিনে এরর মেসেজ পাচ্ছেন।

সমাধান:

সমস্যাটি সমাধানের জন্য অনুগ্রহ করে কার্ড ইস্যুকারী ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন এবং ইন্টারনেটের মাধ্যমে লেনদেন সুবিধা চালু করতে বলুন।

* অ্যাড মানি সার্ভিসের ক্ষেত্রে শুধুমাত্র ক্রেডিট কার্ড দিয়ে বিকাশ-এ টাকা আনতে গেলে নির্দিষ্ট ব্যাংক কর্তৃক চার্জ আরোপিত হতে পারে। বিস্তারিত জানতে আপনার ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করুন।

একাধিক প্ল্যাটফর্মে বিকাশ আছে

bkash platforms - app

বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করুন

এক অ্যাপ থেকেই উপভোগ করুন নানাবিধ আর্থিক লেনদেনের সুবিধা! বিকাশ অ্যাপ ডাউনলোড করে দ্রুত ও নিরাপদে লেনদেন করুন।

bkash platforms - ussd

*২৪৭#

বিকাশ এর ইউএসএসডি প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে ইন্টারনেট ছাড়াও লেনদেন করতে পারবেন। শুরু করতে *২৪৭# ডায়াল করুন।

bkash platforms - web

পেমেন্ট গেটওয়ে

বিকাশ সিকিউর পেমেন্ট গেটওয়ে গ্রাহকদের সুবিধার্থে মার্চেন্ট এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানদের বিকাশ পেমেন্ট সেবা প্রদান করে।

বিকাশ সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা

আপনি যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে থাকেন, কিন্তু লগইন করতে পারছেন না, তবে অনুগ্রহ করে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন

১. নিশ্চিত করুন যে ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো ভিপিএন চালু নেই

২. মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে লগইন করার চেষ্টা করুন

৩. ফোনে বাংলাদেশি সিম চালু আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন

৪. অ্যাপটি বন্ধ করার চেষ্টা করুন এবং এটিকে ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে মুছে ফেলুন এবং অ্যাপটি পুনরায় চালু করুন

৫. যদি সমস্যাটি এখনও থেকে যায়, অনুগ্রহ করে আপনার আইপি এবং ঠিকানা এবং আইএসপি এর নামটি বিকাশ এর গ্রাহক সেবা চ্যানেলগুলোতে শেয়ার করুন৷ (দ্রষ্টব্য: আপনি google.com-এ " What is my IP address" সার্চ করে আপনার আইপি খুঁজে পেতে পারেন এবং আপনার আইএসপি নামটি আপনার ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীর নাম যা ইন্টারনেট বিল রিসিটে পাওয়া যেতে পারে)

ক) বিকাশ একাউন্ট
- বিকাশ প্রদত্ত সেবাসমূহ ব্যবহারের জন্য মোবাইল ফোনে যে একাউন্টটি খোলা হয় সেটিই বিকাশ একাউন্ট। একাউন্ট খোলার পর আপনার মোবাইল নাম্বারই হবে আপনার বিকাশ একাউন্ট নাম্বার।

খ) বিকাশ একাউন্ট খোলা
- আপনার মোবাইল ফোনে বিকাশ একাউন্ট চালু করা।

গ) বিকাশ মোবাইল মেন্যু
- *২৪৭# ডায়াল করে আপনি যে মেন্যু দেখতে পান।

ঘ) ক্যাশ ইন
- বিকাশ একাউন্টে টাকা জমা রাখার পদ্ধতি।

ঙ) ক্যাশ আউট
- আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি। আপনি যেকোনো বিকাশ এজেন্ট অথবা ব্র্যাক ব্যাংক এবং Q-Cash এটিএম থেকে ক্যাশ আউট করতে পারবেন।

চ)  সেন্ড মানি
- একটি বিকাশ একাউন্ট থেকে আরেকটি বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানোর পদ্ধতি।

ছ) মোবাইল রিচার্জ
- মোবাইল রিচার্জ সেবার মাধ্যমে আপনি আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন।

জ) পেমেন্ট
- আপনি যখন আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে একজন বিক্রেতাকে পণ্য অথবা সেবার বিনিময়ে বিল প্রদান করেন।

ঝ) রেমিটেন্স
- বিদেশ থেকে বাংলাদেশে বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানো বা গ্রহণ করা।

ঞ) আমার বিকাশ

- বিকাশ মোবাইল মেন্যুর একটি অপশন আমার বিকাশ, যেখান থেকে আপনি আপনার একাউন্ট ব্যালেন্স চেক করতে, সংক্ষিপ্ত স্টেটমেন্ট দেখতে, ম্যানেজ বেনিফিশিয়ারি, এমএনপি তথ্য আপডেট এবং পিন নাম্বার পরিবর্তন করতে পারবেন। 

ট) বিকাশ মোবাইল মেন্যু পিন
- এটি পাসওয়ার্ডের মতো একটি গোপন নাম্বার যা আপনার বিকাশ একাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।

ঠ)  সিকিউরিটি কোড
-  সিকিউরিটি কোড একটি একবার ব্যবহারযোগ্য পিন। আপনি যখন এটিএম থেকে ক্যাশ আউট করবেন, তখন আপনার একটি সিকিউরিটি কোড তৈরি করতে হবে, যা পরবর্তী ৫ মিনিটের মধ্যে একবারই ব্যবহারযোগ্য। 

ড) ট্রানজেকশন আইডি
- প্রতিটি লেনদেনের জন্য সিস্টেমের মাধ্যমে তৈরিকৃত একটি স্বতন্ত্র তথ্যসূত্র নাম্বার যা শনাক্ত করার জন্য সংরক্ষণ করা হয়।

ঢ) রেফারেন্স
- নিজের ভবিষ্যত প্রয়োজনের জন্যে লেনদেনের উদ্দেশ্য উল্লেখ করা।

হ্যাঁ।

-হ্যাঁ, আপনাকে আপনার মোবাইল ফোনে একটি বিকাশ একাউন্ট খুলতে হবে।

• বাংলাদেশি নাগরিক
• বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি
• বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র/ড্রাইভিং লাইসেন্স/পাসপোর্ট  আছে এমন ব্যক্তি
• বর্তমানে রবি, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক এবং এয়ারটেল গ্রাহকেরা

না, বিকাশ একাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ ফ্রি।

সার্ভিসেস
হেল্প