সচরাচর জিজ্ঞাসা - SIBL | বিকাশ

সচরাচর জিজ্ঞাসা - SIBL

১. সার্ভিসটি কী নিয়ে?

- এই সার্ভিসের মাধ্যমে একজন বিকাশ গ্রাহক, বিকাশ একাউন্টের সাথে, তার ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে পারবেন। ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করার মাধ্যমে গ্রাহক ব্যাংক একাউন্ট থেকে নিজের অথবা অন্য যেকোনো বিকাশ একাউন্টে টাকা আনতে পারবেন। এছাড়া, গ্রাহক বিকাশ একাউন্ট থেকে নিজ ব্যাংক একাউন্ট অথবা অন্য ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন।

 

২. সার্ভিসটি পেতে গ্রাহককে প্রথমেই কী করতে হবে?

- এই সার্ভিসটি উপভোগ করতে হলে গ্রাহককে প্রথমে নিজ বিকাশ একাউন্টের সাথে তার একটি ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে হবে। সার্ভিসটি চালু করতে, গ্রাহককে প্রথমে বিকাশ অ্যাপের বিকাশ টু ব্যাংক-এর মাধ্যমে অথবা অ্যাড মানি’র ব্যাংক টু বিকাশ সার্ভিসের সাথে ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে হবে। এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, গ্রাহক বিকাশ একাউন্টে চাইলে নিজের ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে পারবেন এবং/অথবা অন্য ব্যাংক একাউন্টও সংযুক্ত করতে পারবেন। যদিও, অন্যের ব্যাংক একাউন্টের ক্ষেত্রে গ্রাহক শুধুমাত্র বিকাশ অ্যাপ থেকে সেভ করা ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন।

 

৩. ব্যাংক একাউন্ট অ্যাড করার জন্য কী ধরনের তথ্য প্রয়োজন?

- বিকাশ-এ নিজ ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে গ্রাহককে প্রথমে ব্যাংকের একাউন্ট নাম্বার প্রদান করতে হবে। এরপর একাউন্ট টাইটেল লিখে ব্যাংক একাউন্ট লিঙ্ক করতে হবে। একাউন্টের বৈধতা সাপেক্ষে ব্যাংক গ্রাহককে একটি ওটিপি পেইজে নিয়ে যাবে। একাউন্টটি বিকাশ অ্যাপের সাথে লিঙ্ক করতে এবার গ্রাহককে বৈধ ওটিপি ইনপুট করতে হবে। ওটিপি যাচাইকরণের ভিত্তিতে বিকাশ অ্যাপের সাথে ব্যাংক একাউন্টটি অ্যাড হয়ে যাবে।

 

৪. তথ্যগুলো কোথায় পাওয়া যাবে?

- তথ্যগুলো শর্তাবলির মধ্যে রয়েছে।

 

৫. ব্যাংক একাউন্ট কীভাবে অ্যাড করবো?

- বিকাশ-এর সাথে ব্যাংক একাউন্ট অ্যাড করতে হলে অ্যাড মানি থেকে অথবা বিকাশ টু ব্যাংক অপশনটি ব্যবহার করতে হবে।

- বিকাশ-এ অ্যাড মানি-র ক্ষেত্রে অ্যাড মানি অপশনে গিয়ে ব্যাংক টু বিকাশ-এ গিয়ে ব্যাংক একাউন্ট সিলেক্ট করতে হবে। বিকাশ অ্যাপে ব্যাংকগুলোকে চিনতে উক্ত ব্যাংকের নাম/আইকন/লোগো দেখা যাবে। নতুন গ্রাহকদের ক্ষেত্রে, নিজস্ব ব্যাংকটি অ্যাড করতে সকল ব্যাংকগুলো থেকে নিজ ব্যাংকের নাম/আইকন/লোগো সিলেক্ট করতে হবে। পরবর্তী পেইজে গিয়ে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার, নিয়মাবলী ও শর্তাবলীগুলো দেখে এবং একাউন্টের টাইটেল/নাম দিতে হবে। পরবর্তী ধাপে, গ্রাহক সরাসরি ব্যাংকের ওয়েবসাইটে গিয়ে একটি ওটিপি দেওয়ার অপশন পাবেন। এই ওটিপিটি গ্রাহক পাবেন তার উক্ত ব্যাংক একাউন্টের সাথে রেজিস্টার্ড মোবাইল নাম্বারে। এই ওটিপি দেওয়ার পর ব্যাংক যাচাই করার পর সরাসরি বিকাশ অ্যাপে নোটিফিকেশন আসবে যে ব্যাংক একাউন্টটি সংযুক্ত হয়েছে। এরপর গ্রাহক খুব সহজেই বিকাশ অ্যাপের সেভ করা ব্যাংকের তালিকা থেকে তাদের ব্যাংক একাউন্টটি দেখতে পাবেন।

- বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিসের ক্ষেত্রে, গ্রাহক নিজের বা অন্যের ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে পারবেন

      - গ্রাহক যদি নিজস্ব ব্যাংক একাউন্ট অ্যাড করতে চান, সেক্ষেত্রে তাকে বিকাশ অ্যাপে গিয়ে ‘বিকাশ টু ব্যাংক’ অপশনে গিয়ে ‘ব্যাংক একাউন্ট’ সিলেক্ট করে ‘মাই একাউন্ট’-এ যেতে হবে। এরপর গ্রাহককে পূর্বে উল্লিখিত পদ্ধতিগুলো মেনে এগিয়ে যেতে হবে।

     - যদি গ্রাহক অন্য কোনো ব্যাংক একাউন্ট অ্যাড করতে চান, তখন তাকে সিলেক্ট করতে হবে ‘অন্যের একাউন্ট’, এরপর ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ও একাউন্টের নাম লিখলে চলে যাবে পরবর্তী ধাপে। গ্রাহক চাইলেই তার একাউন্টের নাম পরিবর্তন করতে পারবেন (ভবিষ্যৎ সুবিধার জন্য) এবং এরপর বিকাশ-এর পিন দিয়ে একাউন্ট সেভ করতে পারবেন।

 

৬. একটি ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে গ্রাহককে কী কী তথ্য প্রদান করতে হবে?

- বিকাশ অ্যাপে গ্রাহকের ব্যাংক একাউন্টটি সংযুক্ত করতে ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারটি দিতে হবে। সাথে ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডারের নামও দিতে হবে (যা বিকাশ কর্তৃক বাধ্যতামূলক)।

 

৭. OTP কী এবং কোথা থেকে OTP পাওয়া যাবে?

- OTP কোডটি বিকাশ ও ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডার যে একই ব্যক্তি, সে বিষয়টি নিশ্চিত করে। ব্যাংক, গ্রাহককে এসএমএস অথবা ইমেইলের মাধ্যমে OTP কোডটি পাঠিয়ে থাকে। গ্রাহক যদি কোনো OTP কোড না পেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে এই সমস্যা সমাধানের জন্য গ্রাহককে উক্ত ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে।

 

৮. OTP’টি কতক্ষণ সচল থাকবে?

- OTP কোডটি মাত্র ৯০ সেকেন্ডের জন্য সচল থাকে।

 

৯. গ্রাহক পূর্বে অ্যাড করা ব্যাংক একাউন্টগুলো কোথায় দেখতে পাবেন?

- অ্যাড মানি অপশনে থাকছে, যেখানে শুধুমাত্র গ্রাহকের অ্যাড করা ব্যাংক একাউন্টগুলো দেখা যাবে।

- বিকাশ টু ব্যাংক অপশনে, যেখানে গ্রাহকের নিজস্ব এবং অন্যান্য ব্যাংক একাউন্টসমূহ দেখা যাবে।

 

১০. বিকাশ-এর সার্ভিসটি কারা উপভোগ করতে পারবেন?

- যেসব গ্রাহকের সচল বিকাশ একাউন্ট রয়েছে, তারাই ‘বিকাশ টু ব্যাংক’ সার্ভিসের মাধ্যমে অ্যাড মানি ও বিকাশ টু ব্যাংক-এর মাধ্যমে ব্যাংকে টাকা পাঠাতে পারবেন। কোনো গ্রাহক একাউন্ট যদি সচল না থাকে, সেক্ষেত্রে উক্ত গ্রাহক তার বিকাশ অ্যাপ থেকে ‘তথ্য হালনাগাদ’ অপশনটি ব্যবহার করে তথ্য আপডেট করতে পারবেন। তথ্য আপডেটের বিস্তারিত প্রক্রিয়া বিকাশ অ্যাপের ‘বিকাশ নিয়ে জানুন’ অপশন থেকে পাওয়া যাবে।

 

১১. বিকাশ একাউন্টে ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করলে কী সুবিধা পাওয়া যাবে?

- গ্রাহক তাৎক্ষণিকভাবে তার ব্যাংক একাউন্ট থেকে টাকা নিজের বা অন্যের বিকাশ একাউন্টে অ্যাড মানি করতে পারবেন। এরপর গ্রাহক চাইলেই তার প্রয়োজন অনুযায়ী যখন খুশি তখন ‘বিকাশ টু ব্যাংক’-এ টাকা পাঠাতে পারবেন।

 

১২. সেভ করা ব্যাংক একাউন্ট ব্যবহার করে কীভাবে অ্যাড মানি করতে পারি?

- গ্রাহক যদি অ্যাড মানি করতে চান, তাহলে তাকে ‘অ্যাড মানি’ অপশনে গিয়ে ‘ব্যাংক টু বিকাশ’ এবং ব্যাংক একাউন্ট অপশন সিলেক্ট করতে হবে। সেভ করা ব্যাংকের অপশন থেকে উক্ত ব্যাংকটি (লিংক একাউন্ট সাইন) ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারসহ সিলেক্ট করতে হবে। তারপর গ্রাহক তার বিকাশ একাউন্ট নাম্বার (নিজ একাউন্ট বা অন্য একাউন্ট) সিলেক্ট করে লেনদেনের জন্য টাকার পরিমাণ ও রেফারেন্স দিবেন এবং যে ব্যাংক একাউন্ট থেকে বিকাশ একাউন্টে টাকা আসবে, সেই একাউন্টটির বিস্তারিত রিভিউ করতে পারবেন। এরপর প্রসিড অপশনে ক্লিক করার পর, গ্রাহককে ওটিপি প্রবেশ করাতে একটি ব্যাংক পেইজে নিয়ে যাওয়া হবে। এরপর ব্যাংক একাউন্টের সাথে নিবন্ধিত মোবাইল নাম্বারে ওটিপি সংবলিত এসএমএস আসার পর গ্রাহক সেটি ব্যাংকের পেইজটিতে প্রদান করবেন। ব্যাংক কর্তৃক পাঠানো ওটিপি কোডটি সঠিকভাবে ব্যবহার করে বিকাশ একাউন্টে নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা জমা করা যাবে।

 

১৩. অ্যাড মানি এবং বিকাশ টু ব্যাংক টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে ব্যাংক একাউন্টের স্ট্যাটাস কি গুরুত্বপূর্ণ?

- হ্যাঁ, অ্যাড মানি ও  বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিসের র জন্য শুধুমাত্র পার্সোনাল ক্লায়েন্ট ডিপোজিট একাউন্ট প্রযোজ্য।

 

১৪. কীভাবে বিকাশ থেকে নিজ একাউন্ট বা অন্য একাউন্টে সেন্ড মানি করা যায়?

- গ্রাহক তার বিকাশ অ্যাপ থেকে ‘বিকাশ টু ব্যাংক’ অপশন ব্যবহার করে বিকাশ থেকে নিজ বা অন্যের ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন। এই সার্ভিসটি ব্যবহার করতে, বিকাশ টু ব্যাংক আইকনে ক্লিক করে ব্যাংকের আইকন সিলেক্ট করুন। তারপর উক্ত ব্যাংক সংযুক্ত করার মধ্যে থাকা ‘সেভড একাউন্ট’-টি পাওয়া যাবে। এরপর টাকার পরিমাণ, রেফারেন্স লিখতে হবে এবং লেনদেন নিশ্চিত করতে বাটনটি চেপে ধরে রাখতে হবে। এরপর মুহূর্তেই গ্রাহক তার বিকাশ অ্যাপে একটি সফল লেনদেন হওয়ার নোটিফিকেশন পাবেন। তবে, একবার লেনদেন সফলভাবে সম্পন্ন হওয়ার পরবর্তী ১০ মিনিটের মধ্যে পরবর্তী লেনদেন করা যাবে না।

 

১৫. বিকাশ থেকে কি বিদেশি মুদ্রা একাউন্টে টাকা পাঠানো যায়?

- না। এই সার্ভিসটি শুধুমাত্র বাংলাদেশি কারেন্সি একাউন্টের জন্য প্রযোজ্য।

 

১৬. অ্যাড মানি’র ক্ষেত্রে গ্রাহকের উপর কি কোনো ফি বা চার্জ প্রযোজ্য হবে?

- না, সার্ভিসটি একদম ফ্রি।

 

১৭. বিকাশ টু ব্যাংক টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে গ্রাহকের উপর কি কোনো ফি বা চার্জ প্রযোজ্য হবে?

- হ্যাঁ, গ্রাহককে নিচের টেবিল অনুযায়ী ফি প্রদান করতে হবে:

 

লেনদেনের পরিমাণ (টাকা)

ফি

৳৫০ - ৳৫০,০০০

১.২৫%

 

১৮. একাউন্ট ভেদে অ্যাড মানি এবং বিকাশ টু ব্যাংক সার্ভিসের উপর কি কোনো লেনদেন লিমিট রয়েছে?

 

লেনদেন ধরন

সর্বোচ্চ সংখ্যক লেনদেন

প্রতি লেনদেনে অ্যামাউন্ট (টাকা)

সর্বোচ্চ অ্যামাউন্ট

(টাকা)

প্রতিদিন

প্রতি মাস

সর্বনিম্ন

সর্বোচ্চ

দৈনিক

মাসিক

বিকাশ টু ব্যাংক (বিকাশ একাউন্ট থেকে ব্যাংক একাউন্ট)

১০

১০০

৫০

৳৫০,০০০

৳৫০,০০০

৳৩,০০,০০০

অ্যাড মানি (ব্যাংক একাউন্ট

থেকে বিকাশ একাউন্টে)

২০

৫০

৫০

৳৫০,০০০

৳৫০,০০০

৳৩,০০,০০০

 

 ১৯. কোনো গ্রাহক কি একটির বেশি ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করতে পারবেন?

- হ্যাঁ। গ্রাহক তার বিকাশ একাউন্টে নিজেরসহ অন্যের ব্যাংক একাউন্টও সংযুক্ত করতে পারবেন। অন্যের ব্যাংক একাউন্ট শুধুমাত্র বিকাশ টু ব্যাংক-এর জন্য ব্যবহার করা যাবে।

 

২০. গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে কোন ধরনের ব্যাংক একাউন্ট সংযুক্ত করা যাবে?

- শুধুমাত্র পার্সোনাল ক্লায়েন্ট ডিপোজিট একাউন্ট সংযুক্ত করা যাবে।

 

২১. বিকাশ টু ব্যাংক লেনদেনের ক্ষেত্রে ব্যাংক একাউন্টে কখন পরিবর্তন হবে?

- এই সার্ভিসের মাধ্যমে তহবিল স্থানান্তরের প্রায় সাথে সাথেই ব্যাংক একাউন্টে টাকা জমা হবে।

 

২২. একজন গ্রাহক কি বিকাশ অ্যাপ থেকে ব্যাংক একাউন্টের হিসাব দেখতে পারবেন?

- না।

 

২৩. ব্যাংক একাউন্টের ব্যালেন্স ন্যূনতম কত টাকা থাকতে হবে?

- ব্যাংক একাউন্টে ন্যূনতম ১,০০০ টাকা ব্যালেন্স থাকতে হবে।

 

২৪. বিকাশ টু ব্যাংক-এর ক্ষেত্রে লেনদেন স্ট্যাটাসগুলো কেমন হয়ে থাকে?

- টাকা পাঠানোর ক্ষেত্রে লেনদেন স্ট্যাটাসগুলো নিম্নরূপ হয়ে থাকে:

  • অনুমোদিত: বিকাশ টু ব্যাংক সফল হয়েছে
  • বাতিল হয়েছে: ব্যর্থ হয়েছে
  • অপেক্ষমাণ: বিকাশ কর্তৃক অনুমোদিত ব্যাংক থেকে সাড়া পাওয়া যাচ্ছে না

 

২৫. একজন গ্রাহক কীভাবে বুঝবেন, তার লেনদেন অপেক্ষমাণ রয়েছে?

- অপেক্ষমাণ লেনদেনের ক্ষেত্রে, গ্রাহকেরা অ্যাপে “বিকাশ টু ব্যাংক টাকা পাঠানোর জন্য প্রক্রিয়াধীন রয়েছে”- এমন নোটিফিকেশন পাবেন। এক্ষেত্রে, গ্রাহকদের নোটিফিকেশনে প্রদত্ত লেনদেন আইডি ও লেনদেনের পরিমাণ সংরক্ষণ করতে হবে যাতে পরবর্তিতে দাবি উত্থাপনের সময় ব্যবহার করতে পারেন।

 

২৬. যদি কোনো লেনদেন অপেক্ষমাণ থাকে, সেক্ষেত্রে কী হবে?

- যদি ব্যাংকের দিক থেকে লেনদেন সফল না হয়, তবে যেই অ্যামাউন্টটি আটকে রাখা হয়েছে, তা ২ কার্যদিবসের মধ্যে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে ফেরত পাঠানো হবে। এছাড়া, যদি লেনদেনটি ব্যাংকের দিক থেকে সফল হয়, তবে তা বিকাশ-এর দিক থেকেও সফল হবে।

 

২৭. কত ডিজিটের ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার সংযুক্ত করা যেতে পারে?

- ১৩ ডিজিটের একাউন্ট নাম্বার সংযুক্ত করা যাবে।

 

২৮. বিকাশ টু ব্যাংক ও অ্যাড মানি সার্ভিস কারা ব্যবহার করতে পারবেন?

- যে সকল বিকাশ গ্রাহকের অ্যাক্টিভ স্ট্যাটাস রয়েছে, কোনো স্টেট ট্যাগ নেই (ডেবিট এবং ক্রেডিট লেনদেন সীমাবদ্ধতা), তারাই বিকাশ টু ব্যাংক ও অ্যাড মানি সার্ভিস দু’টিই গ্রহণ করতে পারবেন। যদি কোনো গ্রাহকের গ্রহণযোগ্যতা না থাকে, তারা অ্যাপের “বিকাশ তথ্য হালনাগাদ’’-এর মাধ্যমে তথ্য আপডেট করতে পারবেন। তথ্য আপডেটের বিস্তারিত প্রক্রিয়া বিকাশ অ্যাপের ‘’বিকাশ নিয়ে জানুন” সেকশনে রয়েছে।

 

২৯. বিকাশ অ্যাড মানি’র ক্ষেত্রে গ্রাহক কি কোনো এসএমএস পাবেন?

- হ্যাঁ।

 

৩০. গ্রাহক কি একই ব্যাংকের অন্য একাউন্টে টাকা পাঠাতে পারবেন?

- হ্যাঁ। নিজের ও অন্যের সেভ করা ব্যাংক একাউন্টে টাকা পাঠানো যাবে।

 

৩১. গ্রাহক কাকে বেনিফিসিয়ারি হিসেবে অ্যাড করেছে, কীভাবে জানবেন?

- একটি ব্যাংক একাউন্ট যোগ করার সময়, গ্রাহককে একাউন্ট টাইটেলের নিচে একটি ছোট নাম লিখতে হবে; এটি মূলত ব্যাংক একাউন্টের মালিক শনাক্ত করার উপায় এবং এটি লেখা বাধ্যতামূলক। এছাড়া, গ্রাহক যদি একটি স্পেস দিয়ে সামনে এগিয়ে যান, তখন অ্যাপে একটি নোটিফিকেশন প্রদর্শিত হবে, যা ব্যবহারকারীকে ব্যাংক একাউন্ট হোল্ডারের নাম লিখতে অনুরোধ করবে।

 

৩২. লেনদেন করার সময় গ্রাহক কীভাবে লেনদেনের রিসিভারকে শনাক্ত করতে পারবেন?

- একটি লেনদেন সম্পাদন করার সময়, ব্যাংক একাউন্টটি মাস্কড ফর্মে প্রদর্শিত হয়। তবে 'একাউন্ট টাইটেল' থেকে নির্দিষ্ট রিসিভারকে চিহ্নিত করা যাবে যা মাস্কড ব্যাংক একাউন্ট নাম্বারসহ প্রদর্শিত হবে।

 

৩৩. কীভাবে বিবৃতির মাধ্যমে লেনদেন  মনিটর করা যাবে?

- গ্রাহক বিকাশ ম্যেনু থেকে বিকাশ টু ব্যাংক নামের অধীনে লেনদেন মনিটর করতে সক্ষম হবেন। এজন্য নিম্নোক্ত প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে হবে-

ইনবক্স > লেনদেনের বিবৃতি > লেনদেনের ইতিহাস (ফিল্টার 'আউট')।

 

৩৪. গ্রাহক কীভাবে ‘বিকাশ টু ব্যাংক’-এ লেনদেনের পরিমাণ মনিটর করতে পারবেন?

- গ্রাহক, ব্যাংক টু বিকাশ-এর মাধ্যমে সম্পন্ন লেনদেনের পরিমাণ জানতে পারবেন-

স্টেটমেন্ট > লেনদেনের সারাংশ, এভাবে মনিটর করতে পারবেন।

 

৩৫. বিকাশ টু ব্যাংক-এর ট্রানজেকশন সার্ভিস প্রোভাইডার পোর্টালে কীভাবে বিবেচিত হবে?

- সার্ভিস প্রোভাইডার পোর্টালে বিকাশ টু ব্যাংক-এর ট্রানজেকশনটি ‘কাস্টমার অ্যাপের মাধ্যমে বিকাশ টু ব্যাংক’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

 

৩৬. অ্যাড মানি সার্ভিস বিকাশ অ্যাপে কীভাবে বিবেচিত হবে?

- অ্যাড মানি লেনদেনটি ‘কাস্টমার অ্যাপের মাধ্যমে ব্যাংক টু বিকাশ’ হিসেবে বিবেচিত হবে।

 

৩৭. বিকাশ একাউন্টে ব্যাংক একাউন্ট কি সাথে সাথেই সংযুক্ত হবে?

- হ্যাঁ।

 

৩৮. ‘বিকাশ টু ব্যাংক’-এর জন্য কোন ধরনের ব্যাংক একাউন্ট বিবেচিত হবে?

- শুধুমাত্র পার্সোনাল ক্লায়েন্ট ডিপোজিট একাউন্ট।

সার্ভিসেস
হেল্প