ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম অটোমেটিক জমা দিন
ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম দিন ঘরে বসে, বিকাশ-এ!
বিকাশ অ্যাপ ব্যবহার করে ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম জমা দিন অটোমেটিক! নির্দিষ্ট তারিখের আগে প্রিমিয়াম প্রদানের তারিখ ও টাকার পরিমাণ সেট করে দিলেই নির্দিষ্ট তারিখে কোনো চার্জ ছাড়াই জমা হয়ে যাবে ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম। আর নির্ধারিত তারিখের আগের দিন বিকাশ আপনাকে মনে করিয়ে দিবে টাকা রাখার কথা। তাই অটো পে চালু করে, ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম জমা নিয়ে নিশ্চিন্তে থাকুন।

ইন্স্যুরেন্সের প্রিমিয়াম জমা দেয়ার কথা এখন আর মনে রাখার দরকার নেই। বিকাশ অ্যাপে তারিখ ও টাকার পরিমাণ সেট করে দিলেই প্রতি মাসের ঐ নির্দিষ্ট তারিখে অটোমেটিক জমা হয়ে যাবে আপনার ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম।
বিকাশ অ্যাপ ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম অটো পে সেট করবেন যেভাবে:
- অ্যাপে হোমস্ক্রিনের বিকাশ মেন্যু থেকে ‘অটো পে’ সিলেক্ট করুন
- ‘নতুন অটো পে চালু করুন’ অপশন সিলেক্ট করুন
- ‘পে বিল’ সিলেক্ট করুন
- ‘ইন্স্যুরেন্স’ সিলেক্ট করুন
- তালিকা থেকে প্রতিষ্ঠানের নাম সিলেক্ট করুন
- প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে এগিয়ে যান
- কত টাকা প্রিমিয়াম অটো পে হবে তা দিন
- অটো পে’র তারিখ সিলেক্ট করে এগিয়ে যান
- অটো পে চালু করতে বিকাশ পিন দিন
- অটো পে চালু করতে স্ক্রিনের নিচের অংশ ট্যাপ করে ধরে রাখুন
- অটো পে সেট হয়ে গেলে একটি কনফার্মেশন এসএমএস পাবেন
- অটো পে তারিখের আগের দিন বিকাশ আপনাকে মনে করিয়ে দিবে বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখার কথা
ইন্স্যুরেন্স অটো পে যেসকল প্রতিষ্ঠানের জন্য প্রযোজ্য
|
প্রতিষ্ঠানের ধরন |
প্রতিষ্ঠানের নাম |
|
ইন্স্যুরেন্স |
মেটলাইফ |
|
জেনিথ ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স |
শর্তাবলি
- অটো পে চালু করার মাধ্যমে গ্রাহক বিকাশ’কে তার বিকাশ একাউন্ট থেকে প্রদত্ত অটো পে-এর বিবরণী অনুযায়ী (যেমন ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম জমা দেয়ার তারিখ, শুরু করার তারিখ, ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়ামের পরিমাণ) প্রাপক বিকাশ একাউন্টে অটো পে করার জন্য অনুমোদন দিচ্ছেন।
- অটো পে’র তারিখের আগে গ্রাহক অ্যাপের নোটিফিকেশন পাবেন। অটো পে-এর দিন সফলভাবে অটো পে’র জন্য গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স থাকতে হবে।
- অটো পে সফলভাবে চালু হলে গ্রাহক কনফার্মেশন এসএমএস ও অ্যাপ নোটিফিকেশন পাবেন।
- প্রতিটি সফল অটো পে’র জন্য গ্রাহক সফল লেনদেনের নোটিফিকেশন পাবেন।
- অটো পে ব্যর্থ হলে গ্রাহক অটো পে ব্যর্থ হওয়ার নোটিফিকেশন পাবেন।
- অটো পে লেনদেনের জন্য কোনো অতিরিক্ত চার্জ প্রযোজ্য নয়।
- গ্রাহক অটো পে সার্ভিস বাতিল করতে পারবেন। সার্ভিসটি বাতিল করার পরে নোটিফিকেশন পাবেন। তবে যতবার চান ততবার পুনরায় অটো পে চালুও করতে পারবেন।
- গ্রাহক যদি অটো পে সার্ভিস বাতিল করতে কোনো সমস্যার সম্মুখীন হন, সেক্ষেত্রে অনুগ্রহ করে বিকাশ-এর গ্রাহক সেবার বিকাশ হেল্পলাইন ১৬২৪৭/ [email protected]/ লাইভ চ্যাট: https:/livechat.bkash.com অথবা নিকটস্থ বিকাশ গ্রাহক সেবায় যোগাযোগ করুন।
- গ্রাহকের বিকাশ একাউন্টটি অটো পে’র তারিখে অবশ্যই সচল থাকতে হবে এবং একাউন্ট সচল না থাকার কারণে অটো পে সফল না হলে বিকাশ দায়ী থাকবে না।
সাধারণ জিজ্ঞাসা
১. অটো পে সার্ভিস কী?
উত্তর: গ্রাহকের একটি নির্বাচিত পলিসির বিপরীতে ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়ামের স্বয়ংক্রিয় পেমেন্ট প্রদানের একটি সার্ভিস। এই সার্ভিসের মাধ্যমে গ্রাহকের বিকাশ একাউন্ট থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়াম পেমেন্ট কেটে নেওয়া হবে এবং গ্রাহকের নির্ধারিত সময় পরপর অটোমেটিক পরিশোধ হয়ে যাবে।
২. বিকাশ কি গ্রাহকের সম্মতি ছাড়া অটো পে-এর জন্য ব্যালেন্স থেকে টাকা কেটে নেবে?
উত্তর: না, অটো পে শুধুমাত্র শর্তাবলি মেনে নেওয়ার পর গ্রাহক দ্বারা চালু করা যেতে পারে।
৩. গ্রাহক কীভাবে অটো পে বন্ধ করতে পারবেন?
উত্তর: অটো পে বন্ধ করতে - বিকাশ অ্যাপের হোম স্ক্রিনের ডানদিকে উপরে বিকাশ মেন্যুতে যান > অটো পে সিলেক্ট করুন > যেই অটো পে গ্রাহক, তালিকা থেকে বাতিল করতে চান তা সিলেক্ট করুন > ‘অটো পে বন্ধ করুন’-এ ট্যাপ করুন > তারপর ‘হ্যাঁ, বন্ধ করুন’-এ ট্যাপ করে আবার নিশ্চিত করুন > এবার গ্রাহক, নোটিফিকেশন ও এসএমএস-এর মাধ্যমে কনফার্ম হবেন। বিকাশ অ্যাপ হোম পেইজের আমার বিকাশ সেকশনে অটো পে অপশন থেকেও গ্রাহক একইভাবে বন্ধ করতে পারবেন।
৪. গ্রাহকের বিকাশ একাউন্ট থেকে পেমেন্ট অটো পে করার আগে গ্রাহককে কি ব্যালেন্স রাখার জন্য জানানো হবে?
উত্তর: হ্যাঁ, অটো পে-এর জন্য পেমেন্ট হবার আগে গ্রাহককে এসএমএস এর মাধ্যমে ব্যালেন্স রাখার কথা মনে করিয়ে দেওয়া হবে।
৫. গ্রাহক কীভাবে ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়ামের অটো পে চালু করতে পারবেন?
উত্তর: গ্রাহক বিকাশ অ্যাপে দুটি উপায়ে অটো পে চালু করতে পারবেন – অটো পে সেকশন থেকে অথবা লেনদেন করার পর অটো পে চালু করার মাধ্যমে।
৬. অটো পে করার সময় আমার ব্যালেন্স না থাকলে কী হবে?
উত্তর: বিকাশ অটো পে সফল না হলে তা গ্রাহককে নোটিফিকেশনের মাধ্যমে জানানো হবে এবং ১ দিনের ব্যবধানে আরো দুইবার পুনরায় চেষ্টা করতে বলা হবে।
৭. পুনরায় চেষ্টা করার পরেও যদি অটো পে সফল না হলে কী হবে?
উত্তর: এক্ষেত্রে, গ্রাহক নিয়মিতভাবে ইন্স্যুরেন্স প্রিমিয়ামের পেমেন্ট করতে পারবেন।
একাধিক প্ল্যাটফর্মে বিকাশ আছে
*২৪৭#
বিকাশ এর ইউএসএসডি প্ল্যাটফর্ম এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো মোবাইল ফোন থেকে ইন্টারনেট ছাড়াও লেনদেন করতে পারবেন। শুরু করতে *২৪৭# ডায়াল করুন।
পেমেন্ট গেটওয়ে
বিকাশ সিকিউর পেমেন্ট গেটওয়ে গ্রাহকদের সুবিধার্থে মার্চেন্ট এবং বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানদের বিকাশ পেমেন্ট সেবা প্রদান করে।
বিকাশ সম্পর্কিত সাধারণ জিজ্ঞাসা
আপনি যদি বাংলাদেশে অবস্থান করে থাকেন, কিন্তু লগইন করতে পারছেন না, তবে অনুগ্রহ করে এই ধাপগুলো অনুসরণ করুন
১. নিশ্চিত করুন যে ব্যাকগ্রাউন্ডে কোনো ভিপিএন চালু নেই
২. মোবাইল ডাটা ব্যবহার করে লগইন করার চেষ্টা করুন
৩. ফোনে বাংলাদেশি সিম চালু আছে কিনা তা নিশ্চিত করুন
৪. অ্যাপটি বন্ধ করার চেষ্টা করুন এবং এটিকে ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে মুছে ফেলুন এবং অ্যাপটি পুনরায় চালু করুন
৫. যদি সমস্যাটি এখনও থেকে যায়, অনুগ্রহ করে আপনার আইপি এবং ঠিকানা এবং আইএসপি এর নামটি বিকাশ এর গ্রাহক সেবা চ্যানেলগুলোতে শেয়ার করুন৷ (দ্রষ্টব্য: আপনি google.com-এ " What is my IP address" সার্চ করে আপনার আইপি খুঁজে পেতে পারেন এবং আপনার আইএসপি নামটি আপনার ইন্টারনেট সেবা প্রদানকারীর নাম যা ইন্টারনেট বিল রিসিটে পাওয়া যেতে পারে)
ক) বিকাশ একাউন্ট
- বিকাশ প্রদত্ত সেবাসমূহ ব্যবহারের জন্য মোবাইল ফোনে যে একাউন্টটি খোলা হয় সেটিই বিকাশ একাউন্ট। একাউন্ট খোলার পর আপনার মোবাইল নাম্বারই হবে আপনার বিকাশ একাউন্ট নাম্বার।
খ) বিকাশ একাউন্ট খোলা
- আপনার মোবাইল ফোনে বিকাশ একাউন্ট চালু করা।
গ) বিকাশ মোবাইল মেন্যু
- *২৪৭# ডায়াল করে আপনি যে মেন্যু দেখতে পান।
ঘ) ক্যাশ ইন
- বিকাশ একাউন্টে টাকা জমা রাখার পদ্ধতি।
ঙ) ক্যাশ আউট
- আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে টাকা উত্তোলনের পদ্ধতি। আপনি যেকোনো বিকাশ এজেন্ট অথবা ব্র্যাক ব্যাংক এবং Q-Cash এটিএম থেকে ক্যাশ আউট করতে পারবেন।
চ) সেন্ড মানি
- একটি বিকাশ একাউন্ট থেকে আরেকটি বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানোর পদ্ধতি।
ছ) মোবাইল রিচার্জ
- মোবাইল রিচার্জ সেবার মাধ্যমে আপনি আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে মোবাইল রিচার্জ করতে পারবেন।
জ) পেমেন্ট
- আপনি যখন আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে একজন বিক্রেতাকে পণ্য অথবা সেবার বিনিময়ে বিল প্রদান করেন।
ঝ) রেমিটেন্স
- বিদেশ থেকে বাংলাদেশে বিকাশ একাউন্টে টাকা পাঠানো বা গ্রহণ করা।
ঞ) আমার বিকাশ
- বিকাশ মোবাইল মেন্যুর একটি অপশন আমার বিকাশ, যেখান থেকে আপনি আপনার একাউন্ট ব্যালেন্স চেক করতে, সংক্ষিপ্ত স্টেটমেন্ট দেখতে, ম্যানেজ বেনিফিশিয়ারি, এমএনপি তথ্য আপডেট এবং পিন নাম্বার পরিবর্তন করতে পারবেন।
ট) বিকাশ মোবাইল মেন্যু পিন
- এটি পাসওয়ার্ডের মতো একটি গোপন নাম্বার যা আপনার বিকাশ একাউন্টের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে।
ঠ) সিকিউরিটি কোড
- সিকিউরিটি কোড একটি একবার ব্যবহারযোগ্য পিন। আপনি যখন এটিএম থেকে ক্যাশ আউট করবেন, তখন আপনার একটি সিকিউরিটি কোড তৈরি করতে হবে, যা পরবর্তী ৫ মিনিটের মধ্যে একবারই ব্যবহারযোগ্য।
ড) ট্রানজেকশন আইডি
- প্রতিটি লেনদেনের জন্য সিস্টেমের মাধ্যমে তৈরিকৃত একটি স্বতন্ত্র তথ্যসূত্র নাম্বার যা শনাক্ত করার জন্য সংরক্ষণ করা হয়।
ঢ) রেফারেন্স
- নিজের ভবিষ্যত প্রয়োজনের জন্যে লেনদেনের উদ্দেশ্য উল্লেখ করা।
হ্যাঁ।
-হ্যাঁ, আপনাকে আপনার মোবাইল ফোনে একটি বিকাশ একাউন্ট খুলতে হবে।
বাংলাদেশ থেকে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন-
- বাংলাদেশি নাগরিক
- বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি
- বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র/ ড্রাইভিং লাইসেন্স/ পাসপোর্ট আছে এমন ব্যক্তি
- বর্তমানে রবি, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক এবং এয়ারটেল গ্রাহক
সেইসাথে বিকাশ স্টুডেন্ট একাউন্ট খুলতে পারবেন-
- বাংলাদেশি নাগরিক
- বয়স ১৪ বছর থেকে ১৮ বছরের কম বয়সী (১৭ বছর, ১১ মাস এবং ৩০ দিন)
- বৈধ জন্ম নিবন্ধন সনদ আছে এমন ব্যক্তি
- মা/ বাবা'র সচল বিকাশ একাউন্ট আছে এমন ব্যক্তি
- বর্তমানে রবি, গ্রামীণফোন, বাংলালিংক, টেলিটক এবং এয়ারটেল ব্যবহারকারী
এবং বিদেশ থেকে বিকাশ একাউন্ট খুলতে পারবেন-
- প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিক
- বয়স ১৮ বছর বা তার বেশি
- বৈধ জাতীয় পরিচয়পত্র আছে এমন ব্যক্তি
- পাসপোর্টে দেশ ত্যাগ/ বিদেশ আগমনের প্রমাণ রয়েছে এমন ব্যক্তি
- প্রবাসী বাংলাদেশি নাগরিকের অবস্থানরত দেশের বৈধ মোবাইল নাম্বার
না, বিকাশ একাউন্ট খোলা সম্পূর্ণ ফ্রি।