Eastern Bank PLC
ভবিষ্যতের যেকোনো প্রয়োজনে বিকাশ অ্যাপ দিয়ে ইবিএল পিএলসি – তে টাকা জমবে, বাড়বে নিরাপদে
ইবিএল ডিপিএসের আওতায় প্রতি মাসে জমার টাকা স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপনার বিকাশ একাউন্ট থেকে জমা হবে এবং মেয়াদ শেষে লাভসহ আসল টাকা পেয়ে যাবেন আপনার বিকাশ একাউন্টে। শুধু তাই নয়, মেয়াদ শেষে লাভসহ সম্পূর্ণ টাকা ক্যাশ আউট করতে কোনো খরচও লাগবে না।
ইবিএল ডিপিএসের বিস্তারিত:
- জমার পরিমাণ ও মেয়াদ প্রতি মাসে:
- ৬ মাসে: ২,০০০/৫,০০০/১০,০০০/২০,০০০ টাকা প্রতি মাসে
- ১২ মাসে: ১,০০০/২,৫০০/৫,০০০/১০,০০০ টাকা প্রতি মাসে
- ২৪/৩৬/৪৮ মাসে: ৫০০/১,০০০/২,০০০/৩,০০০ টাকা প্রতি মাসে
- মেয়াদ শেষে লাভসহ সম্পূর্ণ টাকা ক্যাশ আউট করতে কোনো খরচ লাগবে না
- দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী এআইটি ও আবগারী শুল্ক প্রযোজ্য হবে
জেনে নিন বিকাশ অ্যাপ দিয়ে কীভাবে টাকা জমানো শুরু করবেন

- বিকাশ অ্যাপের হোমস্ক্রিন থেকে 'সেভিংস' বাটনে ট্যাপ করে নিয়ম ও শর্তাবলি’তে সম্মতি দিয়ে এগিয়ে যান।
- এখন ‘নতুন সেভিংস খুলুন’-এ ট্যাপ করুন।
- সেভিংস এর ধরন থেকে “ডিপিএস” বেছে নিন।
- ডিপিএসের উদ্দেশ্য নির্বাচন করুন।
- ডিপিএসের সময়কাল (৬ /১২/২৪/৩৬) মাস ও জমার ধরন (মাসিক) নির্বাচন করুন।
- যে পরিমাণ টাকা জমাবেন (প্রতি সপ্তাহে অথবা প্রতি মাসে) তা সিলেক্ট করুন।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং ব্যাংকের তালিকা থেকে পছন্দের স্কিম নির্বাচন করে মোট জমার তথ্য দেখে এগিয়ে যান।
- আপনার নমিনি সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে এগিয়ে যান।
- ডিপিএসের বিস্তারিত দেখে নিশ্চিত হয়ে নিন।
- নিয়ম ও শর্তাবলি ভালোভাবে পড়ে, বুঝে আপনার সম্মতি দিন।
- আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন দিন।
- সবশেষে - স্ক্রিনের নিচের অংশ ট্যাপ করে ধরে রাখুন।
- ডিপিএসের রিকোয়েস্টটি সম্পন্ন হলে, বিকাশ ও ইবিএল থেকে কনফার্মেশন মেসেজ পাবেন।
ব্যাস! আপনি সফলভাবে ডিজিটাল পদ্ধতিতে খুলে ফেললেন আপনার ডিপিএস। প্রতি সপ্তাহে/মাসের নির্দিষ্ট তারিখে আপনার বিকাশ একাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স রাখুন। আপনার ডিপিএসের সম্পূর্ণ মেয়াদ শেষে, মুনাফাসহ মোট জমা আপনার বিকাশ একাউন্টে জমা হবে এবং ক্যাশ আউট করুন কোনো চার্জ ছাড়াই!
এছাড়া ডিপিএস সম্পর্কিত নিচের বিষয়গুলো অবশ্যই জেনে নিন
- আপনার বিকাশ অ্যাপ থেকে আপনি একাধিক ডিপিএস খুলতে পারবেন।
- ডিপিএসে নমিনির তথ্য প্রয়োজন অনুযায়ী পরিবর্তন করতে পারবেন।
- ডিপিএসের জন্য বিকাশ/ইবিএল পিএলসি এর পক্ষ থেকে কোনো লুকানো/অতিরিক্ত চার্জ নেই।
- ডিপিএসের গ্রাহক যদি মেয়াদ শেষে লাভসহ সম্পূর্ণ টাকা বা আংশিক পরিমাণ ক্যাশ আউট করেন, বিকাশ প্রযোজ্য ক্যাশ আউট খরচ মওকুফ করবে।
- বাংলাদেশ ব্যাংকের বিধি-বিধান অনুসারে, ৩ মাস পূর্ণ হবার আগে ইবিএল পিএলসি এর সাথে কোনো ডিপিএস বাতিল করা সম্ভব নয়। তবে আপনি ৩ মাস শেষে যেকোনো সময় এনক্যাশমেন্টের জন্য রিকোয়েস্ট করতে পারবেন।
- আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন এবং ভেরিফিকেশন কোড কখনো কারও সাথে শেয়ার বা প্রকাশ করবেন না। আপনার বিকাশ একাউন্টের পিন, ওটিপি এবং অন্যান্য তথ্য যদি অন্য কেউ ব্যবহার করে এবং প্রতারণামূলকভাবে এই ডিপিএস সুবিধা বাতিল করে দেয় তবে বিকাশ এর কোনো দায় বহন করবে না।
- আপনি যদি মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই আপনার ডিপিএস বন্ধ করতে চান, তবে আপনি আপনার নির্বাচিত ডিপিএস অনুযায়ী সম্পূর্ণ মুনাফা নাও পেতে পারেন। অর্জিত মুনাফা সম্পর্কিত আরো তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে ইবিএল এর সাথে যোগাযোগ করুন।
- বিকাশ নির্ধারিত তারিখে গ্রাহকদের আমানত/কিস্তির পরিমাণ সংগ্রহের অধিকার সংরক্ষণ করে। আপনার বিকাশ গ্রাহক একাউন্টে পর্যাপ্ত ব্যালেন্স/অর্থ না থাকলে বা কিস্তির টাকা একাউন্ট থেকে কেটে নেওয়ার সময় আপনার একাউন্ট সক্রিয় না থাকলে লেনদেন ব্যর্থ হবে এবং এক্ষেত্রে পরবর্তী তিনদিন (সাপ্তাহিকের ক্ষেত্রে) / সাতদিন (মাসিকের ক্ষেত্রে) বিকাশ আপনার একাউন্ট থেকে টাকা কেটে নেওয়ার চেষ্টা করবে। যদি আপনার বিকাশ একাউন্টে অপর্যাপ্ত স্থিতি/ব্যালেন্স থাকার কারণে অথবা একাউন্ট সক্রিয় না থাকার কারণে কিস্তির টাকা কেটে নেওয়া সম্ভব না হয়, তবে আপনি উক্তদিনের মুনাফা পাবেন না।
- যদি কিস্তি সংগ্রহের সর্বশেষ চেষ্টা ব্যর্থ হয় তবে তবে আপনি কিস্তি প্রদানে ব্যর্থ হয়েছেন বলে গণ্য হবে এবং উক্ত আমানতের পরিমাণের উপর আপনি মুনাফা পাবেন না। অর্জিত মুনাফা সম্পর্কিত আরো তথ্যের জন্য অনুগ্রহ করে ইবিএল এর সাথে যোগাযোগ করুন।
- আর্থিক প্রতিষ্ঠান তার নীতিমালা অনুযায়ী মুনাফার হার কোনো কারণ দর্শানো ব্যাতিরেকে পরিবর্তন, পরিমার্জন ও পরিবর্ধন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।
বিকাশ কোন পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই যে কোনও সময় উল্লিখিত শর্তাবলি পরিবর্তন বা সংশোধন করার অধিকার সংরক্ষণ করে।